ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

দেশ ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১১:১৩ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশ ছেড়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি দেশ ছাড়েন। বিমানবন্দর ও ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দেশ ছাড়ার গুঞ্জনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি স্পষ্ট না করলেও ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব হোয়াটসঅ্যাপে জাগো নিউজকে জানান, ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে তাকে বিদায় দেওয়া হয়েছে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘৯ ও ১০ তারিখে অফিস থেকে বিদায় নিয়েছি। ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে।’

ফয়েজ তৈয়্যবের সঙ্গে নীতি প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত একজন জাগো নিউজকে বলেন, তিনি সকালে দেশ ছেড়েছেন। নেদারল্যান্ডের নাগরিক হলেও কোন দেশে গিয়েছেন তা জানা নেই। নেদারল্যান্ডস না জার্মানি সেটি জানি না।

আরও পড়ুন
ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে বিদায় দেওয়া হয়েছে: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব
আইসিটির কার্যক্রম ফলাফল ভিত্তিক হতে হবে: ফয়েজ আহমদ

এদিকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ঘনিষ্ঠ সুস্মিত আসিফ লিখেছেন, ‘ফয়েজ ভাই ৯ ও ১০ তারিখেই অফিস থেকে বিদায় নিয়েছেন। ফর্মালি মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ থেকেই অফিসিয়ালি বিদায় দেওয়া হয়েছে। আমি দুটো ইভেন্টেই উপস্থিত ছিলাম মন্ত্রণালয়ের অফিসারদের সঙ্গে। এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবেন। তাই আজ চলে গেছেন পরিবারের কাছে। সবাই দোয়া করবেন তার জন্য।’

এদিকে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘ইকে ৫৮৩’-এর যাত্রী হয়ে দেশ ছাড়েন ফয়েজ তৈয়্যব। বাংলাদেশ ত্যাগের সময় তিনি নেদারল্যান্ডসের পাসপোর্ট ব্যবহার করেছেন বলে জানা গেছে।

নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে ফয়েজ তৈয়্যব হোয়াটসঅ্যাপে জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি অল্প সময়ে জীবনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, এটুকু বলতে পারি। একটা শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, নতুন প্রযুক্তি এবং স্বচ্ছতা এনেছি। সবগুলো পুরোনো আইন ও পলিসি পরিবর্তন করতে পাগলের মতো খেটেছি। এগুলো ৫ বছরের কাজ। আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি আমি ১ টাকাও দুর্নীতি করিনি। আমি বাই ভার্চু সৎ লোক। টাকা মেরেছি এটা নিতে পারি না। মোবাইল ব্যবসায়ীরা, টেলিকম মাফিয়ারা আমার বিরুদ্ধে কুৎসা করেছে। আমি তাদের কাছে মাথা নত করিনি। দ্রুত একটা চাকরি খুঁজবো। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাব। আমার স্ত্রী-সন্তানকে ডিপ্রাইভ করে, নিরাপদ জীবন ফেলে দেশে এসেছি, কিছু মানুষ আমাকে যে যেভাবে পেরেছেন অপমান, অপদস্ত করতে কাজ করেছেন। মাঝে মাঝে মনে হয় এই দেশের উল্লেখযোগ্য মানুষ সৎ লোক এবং নলেজ ড্রিভেন লিডারশিপ ডিজার্ভ করে না। এই কষ্ট আমাকে তীব্রভাবে আঘাত করেছে। আমি সাধারণ মানুষ, সাধারণ পানাহার করি, সাধারণ চলাফেরা করি। নিজের কাছে সৎ ও স্বচ্ছ আছি। দোয়া করবেন।’

ইএইচটি/এমআইএইচএস