ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

বিরোধীদলীয় নেতার সম্মতি পেলে চিঠি প্রকাশ করতে চায় মন্ত্রণালয়

কূটনৈতিক প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৫:৩৬ পিএম, ১১ মার্চ ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের প্রস্তাব দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খ‌লিলুর রহমানকে লেখা চি‌ঠি নিয়ে এক ধরনের জ‌টিলতা তৈ‌রি হয়েছে।

জামায়াত দা‌বি করছে, এ চি‌ঠির বিষয়ে অবগত নন বিরোধীদলীয় নেতা। ত‌বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বল‌ছে, চিঠিতে বিরোধীদলীয় নেতার সই রয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতার সম্মতি পেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠিটি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত।

‌বুধবার (১১ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে এমন বক্তব্য এ‌সে‌ছে।

বিবৃতিতে বলা হ‌য়, ২২ ফেব্রুয়ারি ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা একটি চিঠি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও হস্তান্তর করেন।

চিঠিটি বিরোধীদলীয় নেতার জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা ছিল। চিঠির বিষয়বস্তু হচ্ছে-ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে ‘বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা’ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ ও সুপারিশ।

আরও পড়ুন
মাহমুদুলকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের চিঠির ব্যাখ্যা দিলো জামায়াত
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের উপদেষ্টার পদায়ন চান বিরোধীদলীয় নেতা

বিবৃতিতে উ‌ল্লেখ করা হয়, বিরোধীদলীয় নেতা তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে ড. হাসানের দক্ষতা, পেশাদারত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন এবং দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে একত্রে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তাকে উল্লিখিত পদে পদায়নের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট সুপারিশ করেন। তিনি বিষয়টিকে বিশেষভাবে বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। চিঠির নিচে শুধুমাত্র বিরোধীদলীয় নেতার সই রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বল‌ছে, বিরোধীদলীয় নেতা লিখিতভাবে সম্মতি দিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠিটির পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে একটি পত্রিকার প্রতিবেদন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যেখানে বলা হয় যে- জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করা হয়। সেখানে জানানো হয় যে উক্ত চিঠির বিষয়ে জামায়াত আমির অবগত ছিলেন না।’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ সংঘটিত হয়নি।

জেপিআই/এমআইএইচএস