ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডে মূল্যস্ফীতি হবে না: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৫:৫১ পিএম, ০১ এপ্রিল ২০২৬

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা যেহেতু টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না সুতরাং মূল্যস্ফীতি হবে না। নারীরা যারা টাকা পাচ্ছেন তারা নিশ্চয় এই টাকা সিঙ্গাপুর বা বিভিন্ন দেশে পাচার করবেন না, তারা লোকাল অর্থনীতিতে এই টাকা খরচ করবেন।

বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

সংসদে আখতার হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষি কার্ড, হেলথ কার্ড ইত্যাদি যে কর্মসূচিগুলো গ্রহণ করা হয়েছে তার ইতিবাচক দিক রয়েছে। আমার জানার বিষয় হলো—ঠিক কতজন ব্যক্তিকে এই কার্ডগুলোর আওতায় আনা হবে? তাতে কত টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হবে? আর সেই বাজেট বরাদ্দ করতে গিয়ে দ্রব্যমূল্য বা মুদ্রাস্ফীতির মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না? সে ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা কী? প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই।

এই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য। আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন, কতজন মানুষের কাছে আমরা পৌঁছাবো এবং মূল্যস্ফীতি হবে কি না? আর বাজেট কত? স্বাভাবিকভাবে বাজেট কত সেটি আমি এখনই বলছি না। তবে আমরা পর্যায়ক্রমে জিনিসগুলোকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। আমাদের একেকটি কৃষক কার্ডে আমরা রেখেছি ২ হাজার ৫০০ টাকা করে। এটি কৃষকরা বছরে একবার পাবেন। আর ফ্যামিলি কার্ড যারা পাবেন তারা মূলত নারী এবং প্রতি মাসে তারা ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। আমরা যেহেতু প্রতি মাসে এটি এক্সটেন্ড করতে থাকবো অর্থাৎ অধিক সংখ্যক নারী ও কৃষক কার্ড পাবেন তাই একবারে সবাইকে দিচ্ছি না। কোনো দেশের পক্ষেই একবারে এটি দেওয়া সম্ভব নয়।’

ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশে মূল্যস্ফীতি হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যেহেতু টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না সেহেতু মূল্যস্ফীতি হবে না। বরং আমরা মনে করি এই টাকাগুলো লোকাল মার্কেটে যাবে। নারীরা এই টাকা সিঙ্গাপুর বা অন্য দেশে পাচার করবেন না। এই টাকা লোকাল ইকোনমিতেই খরচ হবে। একজন নারী এই টাকা তার সন্তানের পড়াশোনা, ভালো খাবার বা ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করবেন। এর ফলে লোকাল ইকোনমি শক্তিশালী হবে।

তারেক রহমান বলেন, একজন নারী যখন মুদি দোকানে খরচ করবেন তখন সেই দোকানের বিক্রি বাড়বে এবং মালিক বেশি কর্মচারী নিয়োগ দেবেন। এতে করে কর্মসংস্থান বাড়বে। সেই কর্মচারীরা বেতন পেয়ে আবার কেনাকাটা করবে যা লোকাল ইকোনমিকে আরও বড় করবে। তাই কোনো রিসার্চই বলছে না যে মূল্যস্ফীতি হবে। আমরা মনে করি, এতে তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত হবে।

এমওএস/এমএমকে