ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

তামাক অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর ও ই-সিগারেট নিষিদ্ধের দাবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১২:০৩ পিএম, ০২ এপ্রিল ২০২৬

ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচসহ ইমার্জিং তামাক পণ্য কিশোর-তরুণদের জন্য হুমকি এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিরাট প্রতিবন্ধক। এসব নেশাজাত পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বহাল রেখে জাতীয় সংসদে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৫ আইনে রূপান্তর করতে হবে।

বুধবার (১ এপ্রিল) শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটসহ ১৬টি তামাকবিরোধী প্ল্যাটফর্মের যৌথ আয়োজনে ‘ক্ষতিকর ই-সিগারেট, নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধসহ তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে পরিণত করা হোক’ শীর্ষক অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানানো হয়। এতে অর্ধশতাধিক জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন কর্মী অংশ নেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে ই-সিগারেট নিষিদ্ধের ধারা বাতিল করে আইন পাসে যে অপতৎপরতা চলছে, সেটার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বক্তারা।

তারা বলেন, কতিপয় অসাধু ব্যক্তি এবং ধূর্ত তামাক কোম্পানির প্ররোচনায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী অধ্যাদেশ ২০২৫-এ ইমার্জিং তামাক পণ্য নিষিদ্ধের যে গুরুত্বপূর্ণ ধারা অন্তর্ভুক্ত ছিল, সেটি বাতিলের পায়তারা চলছে। সরকারের সুষম উন্নয়ন নীতির সঙ্গে এই পদক্ষেপ সাংঘর্ষিক। 

অবিচেনাপ্রসূত এমন সিদ্ধান্ত দেশের তরুণ প্রজন্ম, জনস্বাস্থ্য ও দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করবে বলে সরকারকে সতর্ক করেছেন জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন কর্মীরা।

তারা আরও বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ই-সিগারেটের ব্যবহার ০.০২ শতাংশেরও কম, অন্যদিকে নিকোটিন পাউচের কোন ব্যববহারই নেই। এখনই নিষিদ্ধ না করলে এটি দ্রুত তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ হেলাল আহমেদ, নীতি বিশ্লেষক আমিনুল ইসলাম বকুল, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ একেএম মাকসুদ, অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবু নাসের অনীক, তামাক বিরোধী নারী জোটের সমন্বয়ক সীমা দাস সীমু, সংস্কৃতি কর্মী ও শিল্পী হামিদুল ইসলাম হিল্লোল, গবেষক ফারহানা জামান লিজা, সামিউল হাসান সজীব, ইব্রাহীম খলিল ও মিঠুন বৈদ্য প্রমুখ। কর্মসূচি পরিচালনা করেন জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন কর্মী আবু রায়হান প্রমুখ।

ইএইচটি/এমকেআর