ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

ডিএমপি কমিশনার

বাড়তি জনসমাগমের কথা মাথায় রেখেই নববর্ষের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৬:৩৩ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন ঘিরে বাড়তি জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত ঢাকা মহানগর এলাকায় নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে সরওয়ার বলেন, বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পহেলা বৈশাখে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানান ধরনের অনুষ্ঠান পালন করা হবে। আশা করা যাচ্ছে, বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবারের অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি অনেক বেশি হবে। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর জনগণের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলন ঘটবে তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে। এই বাড়তি জনসমাগমের কথা মাথায় রেখেই আমরা আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছি।  

আরও পড়ুন
ক্লিয়ারেন্স পেলে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ 
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার 

তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সব নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা এবার নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি। একই সঙ্গে একটি সুপরিকল্পিত ট্রাফিক ব্যবস্থা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি, যাতে সাধারণ মানুষের কোনো ভোগান্তি না হয়। জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন চলাচল নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

সমন্বয় সভায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের প্রতিনিধি, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ডিপিডিসি, ওয়াসা, গণপূর্ত, বাংলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাবির চারুকলা অনুষদ, টিএসসির সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, জাসাস, ছায়ানট, ঋষিজ শিল্পগোষ্ঠী, শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এরপর সভায় উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মতামত তুলে ধরেন।

কেআর/কেএসআর