ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

চিকিৎসকের কাছে যুবদল পরিচয়ে চাঁদা দাবি, দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০১:৫২ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২৬

মহামারি করোনাকালীন সময়ে চিকিৎসা সেবায় সুনাম অর্জনকারী মানবিক ডাক্তার হিসেবে পরিচিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে যুবদলের পরিচয়ে চাঁদার দাবিতে হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক নেতা মঈন উদ্দিদের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে নড়েচড়ে বসেছে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে শ্যামলীর চার নাম্বার রোডের একজন যুবদলকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বেশ ভয়-ভীতি দেখায়। বলে যে আমি কমিশনার প্রার্থী, আরও অনেক কিছু বলে এবং প্রভাব বিস্তার করে। যুবদলকর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। বলে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের আগে সে আমাদের হাসপাতালে যাতায়াত করতো এবং বন্ধুত্ব ছিল। আমাদের স্টাফ তাকে অনেক হেল্পও করেছে। কিন্তু ৫ আগস্টের পর সে ভিন্নরূপ ধারণ করেছে। সে নাকি এখন বড় নেতা। কমিশনার প্রার্থী ইত্যাদি বিভিন্ন কিছু বলে। হাসপাতালে এসে ফোন করে শতাধিক লোক জড়ো করে। এরপর বলে হাসপাতালে নাকি আওয়ামী লীগের লোকজন চাকরি করে, এ করে তা করে বিভিন্ন কথা বলে স্লোগান দিয়ে এখানে একটা সিন ক্রিয়েট করে।

এই ঘটনা জানতে পেরে শনিবার (১২ এপ্রিল) গভীর রাতে রাজধানীর শ্যামলীতে ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে ছুটে যান যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারা। দলটির ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়, প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবির ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তার হাসপাতালে ছুটে গেছেন যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

তারা ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের গ্রেফতারে কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

এর আগে, ভাইরাল হওয়া একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাজধানীর শ্যামলীর একটি হাসপাতালে দলবল নিয়ে হাজির স্থানীয় এক নেতা। এরপর যুবদল পরিচয় দিয়ে চাঁদার দাবিতে হাসপাতালের স্টাফদের হুমকি দিচ্ছেন তিনি।

জানা গেছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতাল থেকে চাঁদা-দাবি করে আসছেন স্থানীয় এই নেতা। ডা. কামরুল ইসলামকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে হাসপাতালের সামনে মব তৈরিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

কেআর/এএমএ