কে এই ‘জঙ্গি’ আকাশ?
গাজীপুরের নোয়াগাঁও এলাকার পাতারটেকে নিহত সাত সন্দেহভাজন ‘জঙ্গি’র কারো ব্যাপারে স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে নিহতদের জঙ্গি সদস্য দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, নিহতদের মধ্যে একজনের নাম আকাশ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে আকাশের নাম উচ্চারণের পর থেকেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে মানুষের। কে এই আকাশ? কি তার পরিচয়? কাউন্টার টেররিজম ইউনিট জানিয়েছে তার পুরো নাম ফরিদুল ইসলাম আকাশ। তিনি নব্য জেএমবির ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
গোয়েন্দা পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলছেন, তামিম চৌধুরি ছিলেন নব্য জেএমবির নেতৃত্বে। তবে তিনি নারায়ণগঞ্জে নিহত হবার পর কে নেতৃত্ব দেয় তা জানার চেষ্টা চলছিল। বর্তমান নব্য জেএমবির নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে আকাশ নামে একজনের নাম আসে।
কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের জঙ্গিবিরোধী অভিযান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান থান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আমরা নিশ্চিত যে তামিম চৌধুরীর পর যে নেতৃত্ব দিত, ছদ্মনাম হোক আর তাদের সাংগঠনিক হোক, তার নাম হচ্ছে আকাশ। সে এখানে নিহত হয়েছে, সেই সাতজনের মধ্যে একজন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুরের দু’টি এবং টাঙ্গাইলের একটি স্থানে জঙ্গি আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় জঙ্গি-সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে পাতারটেকের একটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আকাশের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সব সময় বলে আসছি শতভাগ জঙ্গি নির্মূল করতে পারিনি। এর মধ্যে দু’একজন এদিক-সেদিক ছিল, তারাও সংঘবদ্ধ হওয়ার একটা প্রচেষ্টা নিচ্ছিল এই আকাশের নেতৃত্বে। এটাই আমাদের ধারণা ছিল।
শনিবার বিকালে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের এডিসি সানোয়ার হোসেন জানান, অভিযানে ৭ জঙ্গি নিহত হয়েছে। এদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
আকাশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাজীপুরে নিহত জঙ্গিদের মধ্যে আকাশ নামের এক জঙ্গি রয়েছেন। যিনি ঢাকা অঞ্চলের নব্য জেএমবি প্রধান বলে আমরা জানতে পেরেছি। তিনি সাম্প্রতিক সব হামলার পরিকল্পনাকারীদের একজন। তার বাড়ির ঠিকানা এখনো জানা যায়নি।
অন্যদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে গাজীপুর শহরের পার্শ্ববর্তী হাড়িনাল এলাকায় জনৈক আতাউর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, র্যাব-১ ও ঢাকা ডিবি পুলিশের সদস্যরা। পরবর্তীতে পরিবারসহ বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, মোবাইল জ্যামার, নগদ ৩০ লাখ টাকা, অস্ত্রগোলাবারুদ, বিস্ফোরক দ্রব্যাদিসহ আহতাবস্থায় তাকে আটক করে র্যাব।
জেইউ/এএম
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ ভোটে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
- ২ মাদক-অবৈধ যোগাযোগ ঠেকাতে প্রিজনভ্যানে নজরদারি চায় কারা কর্তৃপক্ষ
- ৩ দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বিচার বিভাগের সংবেদনশীল ভূমিকা চায় মহিলা পরিষদ
- ৪ প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জামায়াতের ২ প্রার্থী, হারালেন বিএনপির একজন
- ৫ পতাকা হাতে ৫৪ প্যারাট্রুপারের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস