হাতিরঝিলে ৮০ টাকায় স্পেশাল ‘দুর্গন্ধময়’ নৌভ্রমণ!
রাজধানী পুরান ঢাকার ফরাশগঞ্জ লালকুটির বাসিন্দা রহমত আলী পরিচিত জনদের মুখে গল্প শুনে রোববার সন্ধ্যায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে হাতিরঝিল ওয়াটার বোট টার্মিনালে আসেন। ২৫ টাকায় টিকিট কিনে মেরুল বাড্ডা টার্মিনালে নেমে সন্ধ্যার পর ওয়াটার ফন্ট ড্যান্স (ঝর্ণা পানির নৃত্য) দেখে ফেরত আসবেন বলে মনস্থির করেছিলেন।
কিন্তু টিকিট কিনতে গিয়ে শুনতে পান বর্তমানে মেরুল বাড্ডা ও গুলশান গুদারাঘাট এলাকার নিয়মিত সার্ভিস বন্ধ রয়েছে। টিকিট বিক্রেতা প্রবেশপথে ঝুলিয়ে রাখা সাইনবোর্ডের দিকে আঙ্গুল দিয়ে বললেন, সেখানে লেখা রয়েছে নৌভ্রমণ ৮০ টাকায় ৩০ মিনিট।

নিরুপায় হয়ে ৩২০ টাকায় চারটি টিকিট কেটে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ওয়াটার বোটে উঠলেন। বোট চলার সঙ্গে সঙ্গেই রহমত আলী ও তার ছেলেমেয়েরা নাকে রুমাল চাপলেন। রহমত আলী মেজাজ খারাপ করে চালককে উদ্দেশ্যে করে চেঁচিয়ে বললেন, অই মিয়া পানিতে এত্ত দুর্গন্ধ কেলা (কেন), আমাগো বুড়িগঙ্গার পানিও তো এরচাইলে বহুত বালা (ভালো)। মাইনষে কী ট্যাকা খরচা কইরা দুর্গন্ধ হুনগতে (খারাপ গন্ধ পাইতে) হাতিরঝিলে আইছে।
ঈদ উপলক্ষে হাতিরঝিলে ঘুরতে আসছেন অসংখ্য নগরবাসী। তাদের অনেকেই জনপ্রতি ৮০ টাকায় টিকিট কেটে ওয়াটার বোটে ঘুরে রহমত আলীর মতোই ঝিলের পানির দুর্গন্ধের সমালোচনা করছেন। তবে ওয়াটার বোটগুলোতে ভ্রমণ আরামদায়ক বলে মন্তব্য তাদের।
জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে মিরপুরের বাসিন্দা আখতার হোসেন বলেন, পানির দুর্গন্ধ না থাকলে নৌভ্রমণ খুবই আনন্দদায়ক হত। ঝিলের পানিতে ওয়াটার বোট থেকে ঝিলের চারপাশের গাছপালা ও ওভার ব্রিজগুলো খুবই সুন্দর দেখা যায়।
এ পথে নিয়মিত যাতায়াত করেন এমন এক যাত্রী জানালেন, প্রায় সময়ই ঝিলের পানিতে দুর্গন্ধ থাকে। তবে গণমাধ্যমে লেখালেখি হলে কিছুটা দুর্গন্ধ দূর হয়।
এমইউ/এমআরএম/এএইচ
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ ভারত সবসময় গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করবে
- ২ মধ্যরাতেও পেট্রোল পাম্পে ভিড়, মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি
- ৩ ‘সুখবর আছে’ বলে লন্ডনের হাইকমিশনার আবিদাকে সরানোর কথা জানালেন উপদেষ্টা
- ৪ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর অসহযোগ আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপ, ছাত্রনেতাদের সমর্থন
- ৫ জুডিসিয়াল সার্ভিসের নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার: ২ জনকে কারাদণ্ড