চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে বাংলাদেশ : মোস্তাফা জব্বার
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ১৭৬০ সালের পর পৃথিবীতে তিনটি শিল্প বিপ্লবের পর চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ যুগের প্রবর্তক।
‘২০০৮ সালে যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা হয়েছিল তখন অনেকেই এ নিয়ে তামাশা করেছিলেন। নয় বছরে আজকের বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ দিয়ে গেছেন আর শেখ হাসিনা দিয়েছেন উন্নয়ন। ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ অপবাদখ্যাত বাংলাদেশ আজ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল। ২০০৮ সালের ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ পৃথিবীর অনেক দেশের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’
মন্ত্রী গতকাল রাতে ঢাকা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ঢাকাস্থ নেত্রকোনা জেলা সমিতির পক্ষ থেকে তাকে দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
ঢাকাস্থ নেত্রকোনা জেলা সমিতির সভাপতি আবদুল হান্নান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, সংসদ সদস্য ইফতেখার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু, ছবি বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব- ১ সাজ্জাদুল হাসান, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার এবং ঢাকাস্থ নেত্রকোনা জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন তালুকদারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তৃতা করেন।
বক্তারা বলেন, প্রযুক্তি দুনিয়ার কিংবদন্তী মোস্তাফা জব্বারকে মন্ত্রিত্ব শুধু নেত্রকোনাবাসীর জন্যই উপহার নয়, তথ্যপ্রযু্ক্তির অগ্রগতি বেগবান করতে এটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। যথাযোগ্য লোককে যথার্থ স্থানে আসীন করে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মোণের চলমান সংগ্রামকে বেগবান করেছেন। নেত্রকোনাবাসী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ সৃষ্টি না করলে আমরা কেরানিও হতে পারতাম না। শেখ হাসিনা না থাকলে আমরা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পেতাম না। ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার আগে বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর কোনো দেশ ডিজিটাল দেশ ঘোষণা করেনি। বাংলাদেশের পর ২০০৯ সালে ইংল্যান্ড এবং ২০১৪ সালে ভারত ডিজিটাল দেশ ঘোষণা করে।
তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের সাহসী পদক্ষেপ বিশ্বে বিস্ময়ের এক বিস্ময়। পরে সমিতির জেলা, উপজেলা কমিটিসহ ঢাকাস্থ নেত্রকোনা জেলা সমিতির পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এফএইচএস/এমএআর/এমএস