মিনা ও আরাফায় সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ ধর্মমন্ত্রীর
মিনা ও আরাফায় হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার, নার্স, হজ গাইড, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হজ প্রতিনিধি দলসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।
তিনি বলেছেন, হজযাত্রীদের সুষ্ঠুভাবে হজ সম্পন্ন করতে সহায়তার জন্য প্রত্যেককে সশরীরে উপস্থিত থেকে স্ব স্ব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার মক্কার হজ কাউন্সিলরের সম্মেলন কক্ষে মক্কা, মদিনা ও জেদ্দায় হজের সার্বিক কার্যক্রমের সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
‘সব ভাল যার শেষ ভাল তার’ এ উপমা টেনে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, এখন পর্যন্ত হজের সামগ্রিক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আসা হজযাত্রীদের হজ করিয়ে নির্বিঘ্নে দেশে ফেরাতে চাই।
ধর্মমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পর্যােলোচনা সভায় হজ কার্যক্রমের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন মক্কায় নিয়োজিত হজ কাউন্সিলর মাকসুদুর রহমান। এতে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, সংসদ সদস্য বেগম দিলারা বেগম, ধর্ম সচিব আনিছুর রহমান, নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এ কে এম সাইদুল হক চৌধুরী, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সভাপতি আব্দুস সোবহান ভূঁইয়া ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন তসলিম প্রমুখ।
ধর্ম সচিব আনিছুর রহমান বলেন, হজের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে চললেও হজের সময় কয়েকটা দিন মিনা, আরাফাতের ময়দান ও মুজদালিফায় হজযাত্রীদের সেবা প্রদান খুবই চ্যালেঞ্জিং। তাই এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সকলকে সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
হাব মহাসচিব শাহাদাত হোসেন তছলিম বলেন, বিগত যেকোনো বছরের তুলনায় এ বছর হজ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হাব নেতারা তৎপর ছিলেন। হজযাত্রীরা যাতে হজের বাকি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারেন সেজন্যও হাব সচেষ্ট থাকবে।
এমইউ/এমবিআর/পিআর
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
- ২ কল্যাণপুর কাউন্টার বন্ধের নোটিশ, সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসছেন মালিকরা
- ৩ নারী হয়রানি প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে হবে বিশেষ সেল
- ৪ হাম যে পর্যায়ে আছে, কমতে সময় লাগবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
- ৫ তেলের জন্য হাহাকার, লাইনে পুড়ছে সময়, অপচয় হচ্ছে শত শত কর্মঘণ্টা