দুই বৃদ্ধের ‘হজবন্ধু’ হয়ে ওঠার গল্প
ষাটোর্ধ্ব দুই বৃদ্ধ হাজি জাকির হোসেন ও শহীদুল্লাহ। জাকিরের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার টেঙ্গুরিয়ায়। শহীদুল্লাহর বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ভূঁইয়ারা গ্রামে। গত ৯ আগস্ট তারা দুজনই বাংলাদেশ থেকে পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরবের মক্কায় আসেন। মেজফালাহ এলাকার হোটেল দিয়ার আল মাতার-১১ তে ওঠেন। দুজনের মধ্যে পূর্বপরিচয় না থাকলেও হজ করতে এসে তারা এখন পরম বন্ধু। একজনকে ছাড়া আরেকজন দুইকদমও বাইরে যান না। একই রুমে থাকা, খাওয়া, ওমরাহ ও হজ পালন। মক্কা থেকে মিনা, মিনা থেকে আরাফা, আরাফা থেকে মুজদালিফা, মুজদালিফা থেকে মিনার জামারাতে পাথর মেরে মিনায় তাবুতে একই সঙ্গে থাকা, আবার দুদিন শয়তানকে পাথর মেরে মক্কায় ফিরে আসা, সবকিছুই একসঙ্গে করেছেন।
একজন অসুস্থ হলে আরেকজন বিচলিত হয়ে ডাক্তারের কাছে দৌড়ানো। ফলমূল কিনে এনে খাওয়ানো। হোটেলের অনেকেই দুই বৃদ্ধের এমন নিবিড় বন্ধুত্বকে ‘হজবন্ধু’ উপাধি দিয়েছেন।

রোববার জাগো নিউজের এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপের সময় জাকির হোসেন জানান, হোটেলের কক্ষে এসে তাদের পরিচয়। প্রথম পরিচয়ে নাম ঠিকানা জিজ্ঞাসা করে শহীদুল্লাহ বলেছিলেন, আমরা দুজনই একা, তাই দুজন দুজনার প্রতি খেয়াল রাখবো। সেই থেকে দুজন একসঙ্গে। ১০ জুলাইয়ের পর জাকির হোসেনের চেয়ে শহীদুল্লাহ মানসিকভাবে চাঙা ছিলেন। কিন্তু মিনা, আরাফা, মুজদালিফায় হেঁটে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। জাকির হোসেন দ্রুত প্রাইভেটকারে করে তাকে বাংলাদেশ হজ মেডিকেল সেন্টারে এনে ডাক্তার দেখান। ইতোমধ্যে তাদের বন্ধুত্বের খবর বাংলাদেশে দুই পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। দুই বৃদ্ধ এই বন্ধুত্ব আমৃত্যু ধরে রাখতে চান।
এমইউ/জেডএ/জেআইএম
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ ভারত সবসময় গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করবে
- ২ মধ্যরাতেও পেট্রোল পাম্পে ভিড়, মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি
- ৩ ‘সুখবর আছে’ বলে লন্ডনের হাইকমিশনার আবিদাকে সরানোর কথা জানালেন উপদেষ্টা
- ৪ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর অসহযোগ আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপ, ছাত্রনেতাদের সমর্থন
- ৫ জুডিসিয়াল সার্ভিসের নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার: ২ জনকে কারাদণ্ড