পদ্মা সেতু নিয়ে ভুল স্বীকার করেছে বিশ্বব্যাংক, দাবি কাদেরের
দুর্নীতির অভিযোগ তুলে টানাপোড়েনের জেরে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ায় বিশ্বব্যাংক। ছয় বছর পর ওই ঘটনায় বিশ্বব্যাংক ভুল স্বীকার করেছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
কাদের বলছেন, পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন না করে বিশ্বব্যাংক যে ভুল করেছে, সেটা তারা স্বীকার করেছে। বিশ্বব্যাংক এখন নতুন প্রস্তাব দিচ্ছে এবং তাতে বাংলাদেশ সাড়া দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজ বিশ্বব্যাংক ও ইউনাটেড ন্যাশন্সের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল এসেছে নিরাপদ সড়ক বিষয়ে কথা বলতে। বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে হঠাৎ সরে গেলে তাদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তারপর বিশ্বব্যাংক নতুন করে আবার যাতায়াত শুরু করতে চায়। তারা বিনিয়োগ করতে চায়, প্রথমে তারা নিরাপদ সড়ক নিয়ে কাজ শুরু করতে চায়। এদের সঙ্গে ইউনাটেড ন্যাশন্সও রয়েছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ঝিনাইদহ থেকে ভোমরা এবং ঝিনাইদহ থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত ২৬০ কিলোমিটার নতুন করে চার লেন সড়ক নির্মাণ করা হবে। এতে ঝিনাইদহ থেকে ভোমরা পর্যন্ত ১৬০ কিলোমিটার চার লেন সড়ক নির্মাণে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এআইডিবি) ঝিনাইদহ থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার সড়কসহ নির্মাণে অর্থায়ন করবে। তারা রোড সেফটিকে প্রাধান্য দিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন।
সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে যা অর্থায়ন করা দরকার তা বিশ্বব্যাংক করবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইউনাটেড ন্যাশন্সও তাদের সঙ্গে অর্থায়ন করবে। তিন বছরের পরিকল্পনায় বাংলাদেশের রোড সেফটির বিষয়টিতে একটা দৃশ্যমান পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারবেন বলে মনে করছেন বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট। তাদের ফান্ডিং আলাদা, কিন্তু কাজ করবে তারা একসঙ্গে। সড়কে যে বিশৃঙ্খলা আছে, সেখানে তারা দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে চায়। সে লক্ষ্যে কাজ করবে তারা।
জাতিসংঘ মহাসচিবের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বিশেষ দূত জ্যাঁ টডের নেতৃত্বে আট সদস্যের প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টভিগ শ্যাফার উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মন্ত্রীর সাথে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অব পার্টি ক্যাটি ক্রোয়েকের নেতৃত্বে চার সদস্যের এক প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।
আরএমএম/এমএসএইচ/পিআর
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ সরকার সব জাতিসত্তার মাতৃভাষা সংরক্ষণ, চর্চা ও বিকাশে বদ্ধপরিকর
- ২ ভাষা শহীদদের প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা
- ৩ মাতৃভাষা দিবসে বাংলায় কথা বলে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
- ৪ দেশপ্রেম ও সততায় দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে: আবু সুফিয়ান
- ৫ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা