অনলাইন অর্ডারে জৌলুস কমেছে অভিজাত ইফতারের
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সর্বাত্মক লকডাউনের তৃতীয় দিনে মিরপুরে অভিজাত ইফতার বিক্রি করা দোকানগুলো ছিল প্রায় ক্রেতাশূন্য।
শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অভিজাত ইফতার বিতানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় কম। তবে অলি-গলির দোকানগুলোতে জমে উঠেছে ইফতারের বাজার।
জানতে চাইলে বনলতা রেস্তোরাঁর সেলসম্যান সালাউদ্দিন জানান, লকডাউনের কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। আমরা ইফতারের পশরা সাজিয়ে ক্রেতা পাচ্ছি না। যারা আগে একটু ভালো জায়গা থেকে ইফতারের আইটেম কিনতেন, তারা এখন রেস্টুরেন্ট থেকে অর্ডার করছেন।

ক্রেতারা বলছেন, মিরপুর ১২ নাম্বারে মুসলিম সুইটস, বনলতা, রাব্বানীসহ একাধিক দোকানে অভিজাত ইফতার বিক্রি হয়, এবার তা দেখা যায়নি।
দুই-একটি অভিজাত ইফতারের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজ, আলু চপ, বেগুনি, ডাবলি, বুট, জিলাপি ছাড়াও এসব দোকানে মিলছে চিকেন শাশলিক, গ্রিল, স্যান্ডউইচ, এগরোল, বিফ কাবাব, চিকেন সামুচা, দইবড়া, পাস্তাসহ আরও অনেক মুখরোচক ইফতার আইটেম।
লকডাউনের কারণে দোকানে খাবার খাওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় এখন মানুষ খাবার অর্ডার করছে- এমনটাই জানালেন শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, অনেক রেস্টুরেন্ট থেকেই এখন অফার দিচ্ছে, ফ্রি ডেলিভারি দিচ্ছে।

মিস্টার গোস্ত নামের রেস্টুরেন্টের মালিক মোহাম্মদ ইমরান জাগো নিউজকে বলেন, গত মার্চ থেকেই আমাদের ডাইনিং প্রায় বন্ধ। আমরা অর্ডার ডেলিভারি করেই চলছি।
রোজার মাসে কিছুটা অর্ডার বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রোজা সবে শুরু হয়েছে। রোজায় অর্ডার একটু বেশি থাকে। তবে এভাবে চললে ব্যবসা চালানো যাবে না।
এসএম/এআরএ/জেআইএম
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ হাদির খুনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত, কাগুজে চার্জশিট মানি না: জাবের
- ২ গণভোটে জনসচেতনতা বাড়াতে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির তাগিদ
- ৩ অচেতন অবস্থায় রাস্তায় পড়েছিল এক নারী, ঢামেকে মৃত্যু
- ৪ ভোটের গাড়ির সংখ্যা ১০টি থেকে ৩০টি হচ্ছে, যাবে ৪৯৫ উপজেলায়
- ৫ নিরাপত্তা বাহিনীর ৭৫ শতাংশ সদস্যের প্রশিক্ষণ শেষ: প্রেস সচিব