মানবতাবিরোধী মামলায় কারাগারে শামসুদ্দিন
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত কিশোরগঞ্জের অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন আহমেদকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার সিনিয়র জুডিশিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাজিবুল হাসান এ আদেশ দেন। পরে তাকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়।
একাত্তরের স্কুল ছাত্র কিশোরগঞ্জের দুই সহোদরের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা পড়ার পরদিন গতকাল বৃহস্পতিবার ছোট ভাই অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তাদের বিরুদ্ধে রাজাকার বাহিনীতে যোগ দিয়ে হত্যা, নির্যাতন, গণহত্যাসহ অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধ করার মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ সদস্য সানাউল হক জানান, এ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৬ জুন তদন্ত কাজ শুরু হয়। এক বছর ৫ মাস ১৮ দিন তদন্ত করে ২৪ নভেম্বর তদন্ত কাজ শেষ হয়। তাদের বিরুদ্ধে ৬০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ৪০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
এর আগে ২০১০ সালের ২ মে করিমগঞ্জ উপজেলার আয়লা গ্রামের মিয়া হোসেনের পুত্র গোলাপ মিয়া কিশোরগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নং আদালতে একটি মামলা করেন। এ মামলায় তিনি উল্লেখ করেন এ দুই সহোদরের মধ্যে বড় ভাই নাসির উদ্দিন আহমেদ করিমগঞ্জ হাই স্কুলে পড়ার সময় রাজাকার বাহিনীতে যোগ দিয়ে তার পিতা মিয়া হোসেনকে হত্যা করেন।
জাগোনিউজ২৪.কম/আরএস
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ ভারত সবসময় গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করবে
- ২ মধ্যরাতেও পেট্রোল পাম্পে ভিড়, মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি
- ৩ ‘সুখবর আছে’ বলে লন্ডনের হাইকমিশনার আবিদাকে সরানোর কথা জানালেন উপদেষ্টা
- ৪ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর অসহযোগ আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপ, ছাত্রনেতাদের সমর্থন
- ৫ জুডিসিয়াল সার্ভিসের নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার: ২ জনকে কারাদণ্ড