জুনের পর কার্বোফুরান গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার নিষিদ্ধ
ফাইল ছবি
মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় আগামী জুন মাসের পর কার্বোফুরান গ্রুপের নিবন্ধিত কীটনাশকের বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নবায়ন, আমদানি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) শ্রেণি অনুযায়ী কার্বোফুরান টেকনিক্যাল এবং ফরমুলেশনের বিষাক্ততা মানুষসহ প্রাণীকূলের জন্য ক্ষতিকর। এ অবস্থায় কার্বোফুরানের রেজিস্টার্ড প্রোডাক্টগুলোর নবায়ন, আমদানি ও ব্যবহার আগামী জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। এ সময়ের পর কোনোক্রমেই কার্বোফুরানের রেজিস্টার্ড প্রোডাক্টগুলোর বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নবায়ন, আমদানি ও ব্যবহার করা যাবে না।
বালাইনাশক আমদানি, উৎপাদন, পুনঃউৎপাদন, বিক্রয়, বিতরণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং এ সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নে 'বালাইনাশক আইন-২০১৮' এর ধারা ১৫, ১৮, ১৯, ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ধারা এবং 'বালাইনাশক বিধিমালা, ১৯৮৫' এ দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার এ আদেশ জারি করেছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
কার্বোফুরান একটি দানাদার কীটনাশক। এটি প্রতিরোধক এবং প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ পোকা লাগার আগে কার্বোফুরান ব্যবহার করলে পোকা লাগবে না এবং পোকা লাগার পর ব্যবহার করলে পোকা মারা যাবে।
মানব স্বাস্থ্যের জন্য অন্তত ক্ষতিকর একটি পদার্থ হিসেবে কার্বোফুরানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর সংস্পর্শে আসলে মানুষের বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়।
কার্বোফুরানের একটি দানা একটি পাখি মেরে ফেলতে পারে। পাখিরা প্রায়ই ভুল করে বীজের বদলে এ কীটনাশক খেয়ে মারা যায়। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ কীটনাশকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আরএমএম/কেএসআর/জিকেএস