ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

রেলের প্রকল্প

অনুমোদনের ৩০ মাস পর চুক্তি, বাড়তে পারে সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৬:২১ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

দেশের রেলযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এরমধ্যে এসব প্রকল্পের ‘সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে’ একটি চুক্তি সই হয়েছে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯৩ কোটি ৬৪ লাখ ২৮ হাজার ৫০৬ টাকা।

অথচ ২০২০ সালের ২৯ জুলাই ‘সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে’র এই প্রকল্প অনুমোদন হয়। কিন্তু চুক্তি সই হয় ২০২৩ সালের মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)। অর্থাৎ প্রকল্প অনুমোদনের ৩০ মাস পর চুক্তি সই হলো। আবার এই প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে মাত্র সাড়ে ১০ মাস। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে এর কার্যক্রম শেষ হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

আরও পড়ুন: এক ভুলে গচ্চা ৩০০ কোটি!

ঢাকায় রেলভবনে তিন কোম্পানি ও এক জয়েন্ট ভেঞ্চারের সঙ্গে এই চুক্তি হয়। রেলের পক্ষে সই করেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান এবং যৌথ পরামর্শ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ওরিয়েন্টাল কনসালটেন্সি গ্লোবাল কোম্পানি লিমিটেডের (জাপান) জিএম ইউজি অসানো।

রেলের উন্নয়নের জন্য কারিগরি সহায়তা ও সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের অনুমোদন দেয় পরিকল্পনা কমিশন। যাতে ব্যয় ধরা হয় ২৩৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এতে যৌথভাবে অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

আরও পড়ুন: পরিকল্পনার ভুলে ধুঁকছে কমলাপুর-না’গঞ্জ ডুয়েলগেজ রেললাইনের কাজ

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মাহবুবর রহমান বলেন, কনসালটেন্সি নিয়োগ দিতে আমাদের দেশে ১২-১৫ মাস সময় লাগে। করোনার সময় অফিস বন্ধ থাকায় এ প্রকল্প দেরি হয়েছে। তবে কাজ দেরি হলেও ব্যয় বাড়বে না।

রেলভবনে তিন কোম্পানি ও এক জয়েন্ট ভেঞ্চারের সঙ্গে এই চুক্তি হয়

দেশের রেল যোগাযোগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন।

তিনি বলেন, ভারসাম্যপূর্ণ রেল যোগাযোগ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ২০৪৫ সাল পর্যন্ত স্বল্প, মধ্য, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রেলে আসছে বিপ্লবী পরিবর্তন

প্রকল্পের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের ওপর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা তৈরির লক্ষ্যে কনসালটেন্সি সার্ভিস নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি সারা দেশকে এক গেজে রূপান্তর করার। এ লক্ষ্যে সব মিটারগেজ পর্যায়ক্রমে ব্রডগেজে রূপান্তর হবে।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা তৈরির বিষয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে সব কর্মকর্তা চাকরি থেকে চলে যাচ্ছেন, তাদের সমন্বয়ে নিজস্ব কনসালটেন্সি ফার্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে রেলওয়ে। এর দ্বারা দেশের নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে উঠবে পাশাপাশি অর্থ বাঁচবে।

এই প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমাতে কডলাইন নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-তারাকান্দি-জামালপুর- দেওয়ানগঞ্জ বাজার সেকশনে বিদ্যমান মিটারগেজ লাইনকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর, যশোর-বেনাপোল রুটে বিদ্যমান লাইনের সমান্তরাল আরও একটি ব্রডগেজ লাইন নির্মাণ, ভৈরব বাজার-ময়মনসিংহ সেকশনে বিদ্যমান মিটারগেজ লাইনকে ডুয়েলগেজ অথবা ব্রডগেজ লাইনে রূপান্তর, সান্তাহার-বগুড়া-কাউনিয়া-লালমনিরহাট সেকশনে বিদ্যমান মিটারগেজকে ব্রডগেজ লাইনে রূপান্তরসহ মোট ১১টি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা তৈরি হবে।

আরএসএম/জেডএইচ/এএসএম