মধুমতি নদীভাঙন রোধে ব্যয় ৪৮১ কোটি টাকা
মধুমতি নদীভাঙন রোধে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ৪৮১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলাধীন মধুমতি নদীর বাম তীরের ভাঙন রোধ, শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি যাদুঘর সংযোগ রাস্তাসহ অন্যান্য এলাকা সংরক্ষণ ও ড্রেজিং করা হবে। এর অর্থায়ন করবে সরকার।
আরও পড়ুন: ‘জীবনের ৬৫ বছরে মাঘ মাসে নদী ভাঙন দেখি নাই’
মঙ্গলবার (৬ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই প্রকল্প ছাড়াও আরও ১১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এরমধ্যে সরকারি অর্থায়ন হবে সাত হাজার ৪৪০ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এছাড়া বৈদেশিক অর্থায়ন তিন হাজার ৮৬১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আর সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৮ লাখ টাকা।
শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য
নদীর তীর সংরক্ষণমূলক কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ এবং বন্যার হাত থেকে স্থানীয় জনগণকে রক্ষা করা, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা। ফরিদপুর জেলাধীন মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার আটটি প্রবল নদীভাঙন কবলিত স্থানে বিদ্যমান সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি যাদুঘর, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, বিদ্যালয়, হাঁট-বাজার, রাস্তা, ব্রিজ, ফসলি ও বাসযোগ্য জমি, কমিউনিটি ক্লিনিক, ধর্মীয় উপাসনালয়সহ বিভিন্ন স্থাপনা নদী ভাঙন হতে রক্ষা করা।
প্রধান কার্যক্রম
৭ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ এবং ৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার চর অপসারণের জন্য ড্রেজিং করা।
এমওএস/জেডএইচ/এএসএম
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ হাদির খুনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত, কাগুজে চার্জশিট মানি না: জাবের
- ২ গণভোটে জনসচেতনতা বাড়াতে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির তাগিদ
- ৩ অচেতন অবস্থায় রাস্তায় পড়েছিল এক নারী, ঢামেকে মৃত্যু
- ৪ ভোটের গাড়ির সংখ্যা ১০টি থেকে ৩০টি হচ্ছে, যাবে ৪৯৫ উপজেলায়
- ৫ নিরাপত্তা বাহিনীর ৭৫ শতাংশ সদস্যের প্রশিক্ষণ শেষ: প্রেস সচিব