প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
পণ্য সরবরাহ অস্থিতিশীল হওয়ায় পোল্ট্রি ফিডের মূল্যস্ফীতি
ফাইল ছবি
বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও মূল্য পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হওয়ায় পোল্ট্রি ফিডের মূল্যস্ফীতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।
সোমবার (১৯ জুন) জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের ফলে বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও মূল্য পরিস্থিতি কিছুটা অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ বিভাগেও পড়েছে এর প্রভাব। উৎপাদন উপকরণসহ পোল্ট্রি ফিডের মূল্যস্ফীতি ঘটেছে।
আরও পড়ুন: ৩১৬ শতাংশ পর্যন্ত দাম বেড়েছে পোল্ট্রি ফিড কাঁচামালের!
সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১-৭২ অর্থবছরে দুধ উৎপাদন ছিল ১০ লাখ মেট্রিক টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে দুধ উৎপাদন ১৩০ দশমিক ৭৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে দুধ উৎপাদন ১৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে জনপ্রতি দৈনিক ২৫০ মিলি হিসেবে দেশে দুধের চাহিদা ১৫৬ দশমিক ৬৮ লাখ টন। এ হিসেবে দুধের ঘাটতি রয়েছে ২৫ দশমিক ৯৪ লাখ টন।
আরও পড়ুন: দেশের দ্বিতীয় অবস্থানে থেকেও ধুঁকছে জয়পুরহাটের পোল্ট্রিশিল্প
সরকারি দলের হাবিব হাসানের প্রশ্নের জবাবে শ. ম রেজাউল করিম জানান, গত ১৪ বছরে উন্মুক্ত জলাশয়ে আট হাজার ১১০ টন পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। ১৪ বছরে বাংলাদেশ থেকে মোট ১০ লাখ ৯২ হাজার ৫৬৬ টন মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রপ্তানি করে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৮২ কোটি ৬২ লাখ টাকা আয় করেছে। মৎস্য পণ্যের মান নিশ্চিত করতে এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৮৬টি চিংড়ি পোনা ও ৯ হাজার ৫৬১টি ফিন ফিস খামার রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।
মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট গবাদি পশু ৫ কোটি ৬৭ লাখ ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা ৩৭ কোটি ৫৬ লাখ।
আইএইচআর/জেডএইচ/এমএস