ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

দেশে আর যেন ১৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তি না হয়: আইইবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৪:২০ পিএম, ১৫ আগস্ট ২০২৩

আইইবির প্রকৌশলী নেতারা বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির জন্য একটি কলঙ্কময় দিন। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এ ১৫ আগস্ট ঘটানো হয়েছে। এ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা যারা চায়নি তারাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারসহ হত্যা করেছে, বাঙালি জাতিকে করেছে বিভক্ত। এ দেশে আর যেনো ১৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তি না হয়।

মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে (আইইবি) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন আইইবির প্রকৌশলী নেতারা। আইইবি চত্ত্বরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতের মধ্য দিয়ে শোকদিবস পালন শুরু হয়। পরে আইইবির নেতারা ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সবশেষে ১৫ আগস্ট শহীদ হওয়া সবার আত্মার শান্তি ও দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করা হয় এবং দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।

আইইবির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, ১৫ আগস্ট একটি কালো অধ্যায়। শোকাবহ ও বেদনাদায়ক দিন। শত্রুরা বঙ্গবন্ধুর নাম নিশ্চিহ্ন করতে ১৫ আগস্ট ঘটিয়েছে। আর ২১ আগস্টের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। জনগণের দোয়ায় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্যই শেখ হাসিনা দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন।

IEEB2.jpg

আইইবির সাধারণ সম্পাদক এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে এ দেশের চলমান উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী রাষ্ট্রকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে বঙ্গবন্ধু নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে চলমান অগ্রযাত্রা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ ২১ বছর পর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সভায় আইইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নুরুজ্জামান, মো. শাহাদাৎ হোসেন শীবলু, কাজী খায়রুল বাসার, খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক শেখ তাজুল ইসলাম তুহিন, আবুল কালাম হাজারী, অমিত কুমার চক্রবর্তী, আইইবির ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন, সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামসহ আইইবির বিভিন্ন বিভাগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এমএমএ/এমআইএইচএস/এমএস