এক্সপ্রেসওয়ের নিচে হবে খেলার মাঠ-জলাধার ও পার্ক: সেতু সচিব
সেতু সচিব মো. মনজুর হোসেন জানিয়েছেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এক্সপ্রেসওয়ের নিচের জমিতে খেলাধুলার স্থান, ওয়াকওয়ে, জলাধার, সাইক্লিনিং জোনসহ বেশকিছু নান্দনিক স্থাপনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে নগরবাসী শিগগির এসব স্থাপনার সুফল ভোগ করতে পারবে। সুধী সমাবেশে সচিব এসব কথা বলেন।
শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাওলা প্রান্তে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন শেষে আগারগাঁওয়ের সুধী সমাবেশের মঞ্চে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল ৪টার দিকে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তিনি। এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর বিমানবন্দরের পাশে কাওলা টোল প্লাজায় টোল দিয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফলক উন্মোচন মঞ্চে ওঠেন শেখ হাসিনা। বোতাম চেপে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসেওয়ের উদ্বোধন করেন তিনি।
এসময় সেতু সচিব বলেন, ১১ দশমিক ৫ কিলোমিটার উড়াল সড়কে র্যাম্প ১১ কিলোমিটার। বিমানবন্দর কাওলা থেকে মোট ১৫টি র্যাম্প নির্মিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১৩টি খুলে দেওয়া হবে। প্রকল্পে পুনর্বাসন কাজ এগিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ৭৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে উত্তরা মডেল টাউনে আবাসন ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১ হাজার ৩৪৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে।
পুনর্বাসন এলাকায় বসবাসের জন্য আধুনিক বিদ্যালয়, ক্লিনিক, মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার ও খেলার মাঠ তৈরি করা হয়েছে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ উদ্বোধন হলে ঢাকা-উত্তর ও দক্ষিণের করিডরে ধারণক্ষমতা বাড়াবে। প্রবেশপথে ধারণকৃত টোল পরিশোধ করে বিমানবন্দর থেকে নূন্যতম সময়ে যাত্রাবাড়ী যাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে এটা ঢাকা-আশুলিয়া উড়ালসড়কের সঙ্গে যুক্ত হলে ঢাকার যানজট নিরসনের পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দারুণ ভূমিকা রাখবে।
সচিব বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ট নেতৃত্বের এক অন্যন্য উদাহরণ। বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানায়। প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ঢাকাবাসী জটলা থেকে মুক্তি পাবে।
এমওএস/এমআইএইচএস/জেআইএম