ঢাকা-ভাঙ্গা ট্রেন চালু হলে লাভবান হবেন কৃষকরা: নিক্সন চৌধুরী
‘ঢাকা-ভাঙ্গা রেল যোগাযোগের মাধ্যমে একজন কৃষক সরাসরি বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফরিদপুর এলাকার পাট বিক্রি করতে পারবেন। এছাড়া এ এলাকার বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতে পারবে। এতে অবশ্যই উপকৃত হবে তারা। আশা করি আগামীতে এ অঞ্চলের কৃষকরা আরও লাভবান হবেন।’
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভাঙ্গায় পরীক্ষামূলকভাবে পদ্মা সেতু হয়ে ট্রেন পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন চৌধুরী)।
তিনি বলেন, ভাঙ্গা থেকে কমলাপুরে ট্রেন যাবে। তবে এটি যদি বিমানবন্দর পর্যন্ত চালু করা হয় এতে আমাদের এলাকার প্রবাসী যেসব ভাইয়েরা এয়ারপোর্টে নামার পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে পড়ে থাকেন, তারা এয়ারপোর্টে নেমে ট্রেনে করে সোজা বাড়ি চলে আসতে পারবেন।
নিক্সন চৌধুরী বলেন, আমি যতটুকু জানি, প্রধানমন্ত্রী ট্রেনটা কমলাপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত দিয়ে দেবেন। এতে করে আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা শান্তিতে বাড়ি আসতে পারবেন।
ফরিদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক বিপ্লবও সাধিত হবে বলে আশা করছেন এই সংসদ সদস্য।
এদিকে, রেলযোগাযোগ চালু হলে ঢাকা বা দেশের উত্তরাঞ্চলে যাতায়াতের যে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি তা অনেকটা কমে আসবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। শুধু তাই নয়, রেলপথ দিয়ে পদ্মা পাড়ি দেওয়া তাদের খরচ ও সময় কমবে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রামের বাসিন্দা রুবেল মোল্লা জাগো নিউজকে বলেন, আমরা কল্পনাও করিনি যে ঢাকা থেকে রেল আমাদের এলাকায় আসবে। এটা আমাদের জন্য অনেক উপকার হয়েছে। এখন ঢাকা যেতে আর বেশি টাকা খরচ হবে না। আর লঞ্চ বা ফেরি পাড় হওয়ার ভোগান্তি তো আগে ছিল। সেটা পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দূর হয়েছে।
এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর পদ্মা বহুমুখী সেতুতে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল করে। এদিন সকাল ১০টা ৭ মিনিটে কমলাপুর থেকে ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে। বেলা ১২টি ১৭ মিনিটে ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশনে পৌছায়। ২ ঘণ্টা ১০ মিনিটে ৮২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয় ট্রেনটি। আগামী ১০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা-ভাঙ্গা রেলযোগাযোগ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আরএসএম/জেডএইচ/জিকেএস