ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম | প্রকাশিত: ০৪:১৫ পিএম, ০২ অক্টোবর ২০২৩

গত ২৬ সেপ্টেম্বর জাগো নিউজে প্রকাশিত ‘এসএওসিএল/বেতনের চেয়ে ঋণের কিস্তি বেশি আবদুস সালাম মীরের’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের (এসএওসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) মো. আবদুস সালাম মীর। এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেছেন সংবাদে প্রকাশিত তথ্য মিথ্যা, কল্পনাপসূত ও ভিত্তিহীন।

রোববার (১ অক্টোবর) পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে আবদুস সালাম মীর দাবি করেন, ‘প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি থেকে সাকুল্যে তার মাসিক বেতন ৮৬ হাজার ৫২৫ টাকা এবং প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি বাবদ মাসে ১ লাখ ৪৯৯ টাকা পরিশোধ করার তথ্যটি মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত এবং ভিত্তিহীন। তিনি কোম্পানি থেকে মাসিক সাকুল্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৬৭ টাকা ৫০ পয়সা বেতন পান এবং ঋণের টাকা কর্তনের পর সর্বশেষ মাসেও ৬৪ হাজার ৭৬৫ টাকা পেয়েছেন। এতে করে তার বেতনের চেয়ে ঋণের কিস্তি মোটেই বেশি নয়।’

এছাড়া প্রকাশিত সংবাদে ২০ বছর ধরে তিনি এলপিজি সরবরাহের দায়িত্বে থাকার বিষয়টিও সম্পূর্ণ সঠিক নয় দাবি করে বলেন, এসএওসিএলে যোগদানের পর থেকে তিনি একাধিক বিভাগে দায়িত্ব পালন করে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমান পদে কর্মরত। এছাড়া এলপিজি সরবরাহের নিয়ম মেনে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ডিলারদের মাঝে এলপিজি সরবরাহ দেওয়া হয় এবং এখানে আর্থিক সুবিধা নিয়ে এককভাবে কোনো ডিলারকে এলপিজি সরবরাহ দেওয়ার সুযোগ নেই বলে তিনি প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন>> বেতনের চেয়ে ঋণের কিস্তি বেশি আবদুস সালাম মীরের!

প্রকাশিত সংবাদে তার দুই সন্তান ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ার তথ্যও সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি। তার দাবি, তার এক সন্তান স্কুলে যায়।

প্রতিবেদকের বক্তব্য

এসএওসিএলের ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের কর্মকর্তাদের পে-রোল শিট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সহকারী ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) আবদুস সালাম মীরের মূল বেতন ৫৭ হাজার ৮৭০ টাকা। তিনি প্রভিডেন্ট ফান্ড, হাউজ বিল্ডিং ঋণ, বেতনের বিপরীতে অগ্রিম কর বাদ দিয়ে ওই মাসে ৮৬ হাজার ৫২৫ টাকা বেতন পান। ওই পে-রোল শিটের শেষাংশে উল্লেখ করা হয়, ‘আবদুস সালাম মীর সহকারী ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) মহোদয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার গ্রহণ করা গৃহনির্মাণ ঋণের অতিরিক্ত টাকার কিস্তি বাবদ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে প্রতি মাসের বেতন প্রদানের আগে চেকের মাধ্যমে কিস্তি বাবদ ১,০০,৪৯৯ টাকা করে গ্রহণ করা হবে।’ যা জাগো নিউজের হাতে সংরক্ষিত আছে।

এছাড়া এলপিজি সরবরাহে ২০ বছর ধরে জড়িত না থাকার বিষয়ে তার দাবিও সঠিক নয়। ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর তারিখে তার নিজের এক জীবন বৃত্তান্তে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘২০০১সালের ১ জুলাই থেকে অদ্যবধি এসএওসিএলে লুব অয়েল, বিটুমিন ও এলপিজি সেকশনে সুনামের সঙ্গে কাজ করেছি।’

সবমিলিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য সহকারে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। তবে আবদুস সালাম মীরের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠোফোন, দাপ্তরিক ল্যান্ডফোনে ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। উপরন্তু খুদেবার্তা ও মেইল করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাংবাদিকতার যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো ভাষ্য নেই।

ইকবাল হোসেন/ইএ/জিকেএস