পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি
পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি খুবই জরুরি, এ জন্য প্রয়োজনে গ্রামে গ্রামে মাইকিংও করতে হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বেসরকারি সংস্থা খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ আয়োজিত ‘খাদ্য অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যে ভেজাল নির্মূলে জনগণের মাঝে ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়নের উপর জোর দিতে আহ্বানও জানান তিনি।
আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, নিরাপদ খাদ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে চুয়াল্লিশটি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। খাদ্যে ভেজাল নির্মূলে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে নজির স্থাপন করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক যেন নিরাপদ খাদ্য পায় তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব কিন্তু বিগত সময়ে সরকারগুলো খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্নতার বিষয়টির উপরও গুরুত্ব দেয়নি।
খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ জাতীয় কমিটির সদস্য আতাউর রহমান মিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ।
কাজী খলীকুজ্জামান বলেন, সাধারণত খাদ্য অধিকার বলতে গেলে ভাতের অধিকারের কথা বলা হয় কিন্তু এখন সময় এসেছে ভাতের চেয়ে পুষ্টির উপর বেশি গুরুত্বারোপ করার। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে সকল মানুষের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
মতবিনিময় সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ এর সম্পাদক মহসিন আলী।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক, অক্সফামের `উইন এন্ড কমিউনিকেশন` প্রকল্পের ম্যানেজার নুরুল আমিন, বাংলাদেশ সেইভ এগ্রো ফুড এফোর্টস (বিএসএএফই) সভাপতি ড. জয়নাল আবেদীন, ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘প্রকাশ’ টিম লিডার ক্যাথরিন সিসিল।
এএস/এআরএস/এবিএস