ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক খবর ও আলোচনা চলছে : ইসি

প্রকাশিত: ০২:০৯ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০১৬

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ ও আলোচনা চলছে বলে দাবি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানায় ইসি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে কিছু পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশন টকশোতে কমিশন সম্পর্কে বিভ্রান্তিমূলক আলোচনা চলছে।  নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য রাজনৈতিক দল ও তাদের কর্মী, প্রার্থী, প্রার্থীর এজেন্ট সকলেরই দায়িত্ব রয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রতিনিয়ত উন্নতমানের নির্বাচন করার জন্য সচেষ্ট রয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দুটি ধাপে ব্যাপক অনিয়ম, সহিংসতা ও ভোট কারচুপির ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ প্রায় ৩৫ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। সামনে আরো চার ধাপের নির্বাচন রয়েছে।

আগামী চার ধাপের নির্বাচন সম্পর্কে বলা হয়েছে, কমিশন দৃঢ়তার সঙ্গে ভোটারগণকে এবং দেশবাসীকে জানাচ্ছে যে, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সর্বপ্রকার ব্যবস্থা করা হয়েছে, হচ্ছে, এবং আগামী নির্বাচনগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যাতে ভোটারগণ নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। কমিশন আশা করে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় পরবর্তী পর্যায়ে আরো অধিকতর গ্রগণযোগ্য নির্বাচন করতে সক্ষম হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছে। এর মানে এই নয় যে নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে গেল। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ইতোমধ্যে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা ১১ জন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) তাৎক্ষনিক সাসপেন্ড করা হয়েছে। ভোট কারচুপির অভিযোগে ১০২টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও ৬ ওসি ও এক এসপিকে কমিশনে তলব করে জবাবদিহি করে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া একজন জেলা নির্বাচন অফিসার ও ১ জন উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে বদলি করা হয়েছে।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য ১২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ১৩০ জনকে মোট ৪ লাখ ১৭ হাজার ৫’শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এইচএস/একে/পিআর