এলপি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও কৃত্রিম সংকট নিরসনের দাবি
রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মানববন্ধন/ছবি: জাগো নিউজ
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও কৃত্রিম সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি। দাবি আদায়ে তিন দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
এসময় লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘বর্তমানে গ্যাসের দাম আকাশচুম্বী। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতি মাসে এলপি গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছে। রান্নার এলপি গ্যাস এবং পরিবহনে যে গ্যাস ব্যবহার করা হয়, দুটো একই জিনিস। গাড়িতে ব্যবহার করা হলে সেটিকে বলা হয় এলপিজি। এর দাম (প্রতি লিটার) ৫৯ টাকা। আবার একই গ্যাস যখন রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় তখন সরকার নির্ধারিত দাম হচ্ছে ১১৪ টাকা। সবকিছু একই, কিন্তু দাম বেড়ে গেছে দ্বিগুণ।’
মোস্তাফিজুর অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত রান্নার ১২ কেজি এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ৩০৬ টাকা হলেও তা খোলাবাজারে ডিলাররা বিক্রি করছেন ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। যে গ্যাসের দাম হওয়ার কথা ছিল ৭২০ টাকা, সেই গ্যাস ২ হাজার ৫০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আজকে জ্বালানি উপদেষ্টার উচিত ছিল গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসা। বা নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারার কারণে জ্বালানি উপদেষ্টার পদত্যাগ করা উচিত ছিল।’
এলপি গ্যাসের বাজার শক্তিশালী সিন্ডিকেটের দখলে মন্তব্য করে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আজ বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষদের বাঁচাতে হবে। কালোবাজারি সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হবে। এদেশের মানুষকে বাঁচাতে না পারলে আগামী নির্বাচন অর্থবহ হবে না।
মানববন্ধনে জানানো হয়, ১১ থেকে ১৫ জানুয়ারি রাজধানীর সব থানায় মানববন্ধন করা হবে। ১৬ জানুয়ারি জাতীয় ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তরে স্মারকলিপি পেশ করা হবে। এছাড়া ১৮ জানুয়ারি জ্বালানি মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা ও স্মারকলিপি দেওয়া হবে।
কেআর/একিউএফ/এএসএম