ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. রাজনীতি

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুঃশাসন মানুষ এখনো ভুলে যায়নি: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৭:৫৮ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুঃশাসন মানুষ ভুলে যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির উচিত ছিল অতীতের সব অপকর্মের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুন করে রাজনীতি শুরু করা। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুঃশাসন মানুষ এখনো ভুলে যায়নি।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ফকিরাপুলে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নাহিদ বলেন, মির্জা আব্বাস সাহেব একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হলেও আজ আমরা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। রাজনীতির প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে শত্রুতায় পরিণত করা উচিত নয়। ঢাকা শহরে মির্জা আব্বাস সাহেবের সমালোচনা করা যাবে না—এমন কোনো আইন জারি হয়নি। আমরা গণঅভ্যুত্থান করে শেখ হাসিনাকে হটাতে পেরেছি, তাই ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের আটকানো যাবে না।

মির্জা আব্বাসের ব্যাপারে নাহিদ বলেন, মির্জা আব্বাস সাহেবের ইতিহাস ঢাকা শহরের মানুষ জানে; জিয়াউর রহমান তাকে ডেকে ৩০ টাকা আর একটি মোটরসাইকেল দিয়ে রাজনীতিতে এনেছিলেন এবং সেখান থেকেই তিনি তার সাম্রাজ্য তৈরি করেছেন। মির্জা আব্বাস সাহেবকে আমাদের আহ্বান—অতীতে যা করেছেন করেছেন, কিন্তু এখন যদি সেই আচরণ পরিবর্তন না করেন, তবে নির্বাচনে এর পরিণতি ভালো হবে না।

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, বিএনপির অনেক সিনিয়র নেতা গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস করে রাজনীতি করেছেন এবং তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য আওয়ামী লীগের লোকদের সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট। নিজেদের স্বার্থ ও অর্থ-সম্পদ রক্ষার কারণে তারা রাজপথে নামেননি। তৃণমূল কর্মীরা জীবন দিতে প্রস্তুত থাকলেও মির্জা আব্বাসের মতো নেতারা কখনো ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেন নাই। গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও সাধারণ মানুষ মির্জা আব্বাসদের জন্য অপেক্ষা না করেই রাজপথে নেমেছিল। আওয়ামী লীগের আমলে এই নেতাদের ব্যাংক ব্যালেন্স ও সাম্রাজ্য অটুট ছিল।

নাহিদ আরও বলেন, আমরা অতীতের অনেক কথা বলতে চাই না, তবে আজ যা ঘটেছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। চিহ্নিত ছাত্রদল ক্যাডাররা মির্জা আব্বাসের নির্দেশে এবং তারেক রহমানের সম্মতিতে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। একদিকে আপনারা ভালো কথা বলবেন, অন্যদিকে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমন করবেন—এমন আওয়ামী লীগের রাজনীতির পুনর্বাসন আমরা হতে দেবো না। আমরা নির্বাচন কমিশন, কলেজ প্রশাসন (হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ) এবং বিএনপির দলীয় ব্যবস্থার দিকে তাকিয়ে আছি; এর সঠিক বিচার না হলে বাকি জবাব রাজপথে এবং নির্বাচনে দেওয়া হবে।

এমএইচএ/এমএমকে