ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. রাজনীতি

ইইউ পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম | প্রকাশিত: ০৫:০৯ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগর নেতাদের একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় নগর জামায়াতের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।

ইইউ প্রতিনিধিদলের মধ্যে ছিলেন পলিটিক্যাল অ্যানালিস্ট মার্সেল ন্যাগি এবং লিগ্যাল অ্যানালিস্ট এরিনি গোউনারি। তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আসেন।

বৈঠকে জামায়াতের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক এবং চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী শফিউল আলম উপস্থিত ছিলেন।

মহানগর মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরিদা খানম, সহকারী সেক্রেটারি আয়েশা পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদিকা শিরিন জাহান ও উম্মে ফাতেমাও বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে ইইউ প্রতিনিধিরা দেশের সার্বিক নির্বাচনি পরিবেশ, রাজনৈতিক দলগুলোর গণসংযোগ কার্যক্রম এবং মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান।

এসময় জামায়াতের নগর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, তারা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনি গণসংযোগ চালাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারী কর্মীরা হামলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন, যা তাদের উদ্বিগ্ন করছে।

তিনি জানান, নারীদের নিরাপত্তার দাবিতে আগামী ৩১ জানুয়ারি ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি মহিলা সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলায় জামায়াতের আটজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা জামায়াতের নারী নেত্রীদের কাছে তাদের গণসংযোগ কার্যক্রম ও জনসাধারণের সাড়া সম্পর্কে জানতে চান। জবাবে নারী নেত্রীরা বলেন, তারা ঘরে ঘরে গিয়ে গণসংযোগ করছেন এবং ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন।

এসময় জামায়াত নেতারা ঋণখেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

এমআরএএইচ/এমআইএইচএস