ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. বিশেষ প্রতিবেদন

বৈশাখের আয়োজনে বদলে গেছে আড়ং

প্রকাশিত: ০৪:২৬ এএম, ০৬ এপ্রিল ২০১৬

ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাঙালির পোশাকের আগ্রহ বহুকাল আগে থেকেই। পোশাকের মাধ্যমে উৎসবকে জানান দিতে সমাজের উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সব শ্রেণির মানুষের প্রচেষ্টা বেশ লক্ষণীয় হয়ে ওঠে। আসছে বৈশাখ, আর এ বৈশাখকে কেন্দ্র করে ফ্যাশন হাউসগুলোও প্রস্তুত। রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে রয়েছে খ্যাতনামা বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস। তেমনি মগবাজারে অবস্থিত দেশের খ্যাতনামা ফ্যাশন হাউস ‘আড়ং’।

Arong

সরেজিমনে দেখা যায়, বর্ষবরণে প্রতিবারের মতো দেশের ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রির লিডার হিসেবে খ্যাত ‘আড়ং’ এবারো পোশাকে এনেছে ভিন্নতা। ডিজাইন এবং রুচিশীলতার দিক দিয়ে এবারের বৈশাখী পোশাকগুলো অন্যদের থেকে একেবারেই আলাদা। বৈশাখ মানেই যে লাল-সাদা, সেই চিন্তা মাথায় রেখেই পুরো হাউজটিকে সাজানো হয়েছে লাল-সাদা পোষাকে। অবশ্য গত বছর এই ধারণা থেকে বের হয়ে কম্বিনেশন ঘটানো হয়েছিল নীল, গোলাপী এবং সবুজ রঙে।

Arong

সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশাখ হলো রঙের উৎসব, তাই আড়ংয়ে পোশাকে সবাই রঙিন আনন্দ খুঁজে পাবেন। কেউ যদি বৈশাখে গতাণুগতিক ধারা এড়িয়ে নিজেকে সবার চেয়ে আলাদা রূপে প্রকাশ করতে চান, তবে আড়ং-ই হতে পারে তার প্রথম পছন্দ।

এদিকে, বৈশাখের কথা মাথায় রেখে আড়ংয়ে বৈশাখী পোশাকে ভিন্ন ভিন্ন নকশা করা হয়েছে। মূল ভাবনার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোশাকে যোগ করেছে অন্য মাত্রা। বৈশাখের রঙের ওপরে ভিত্তি করে সালোয়ার-কামিজ, কুর্তা, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, টাইডাই, বাটিক, ব্লক, অ্যামব্রয়ডারির ব্যবহারে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে উৎসব উপযোগী আমেজ।

Arong
 
এ বছর আড়ংয়ের অধিকাংশ পোশাক তৈরিতে সুতি ও সুতিজাত কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া লিলেন, শিফন, মসলিন কটন, লায়েক্রা, সাটিন, ভয়েল, মারসেরাইজড কটন ইত্যাদি ফেব্রিক্স ব্যবহার করেছে এ ফ্যাশন হাউজটি।

মগবাজার শাখার ম্যানেজার মো. আবদুল হালিম জাগো নিউজকে বলেন, গত বছর লাল-সাদার উপর কম গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন রঙের সমন্বয়ে পোশাক এনেছিলাম। তবে এবার লাল আর সাদার উপর গুরুত্ব দিয়ে নানা ডিজাইনের পোশাক সাজিয়েছি।

Arong

প্রতিটি কালেকশনে এবার চমক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার ক্রেতাদের সাড়া অনেক বেশি। ফ্যামিলি থিম কালেকশন অনেকে পছন্দ করে। আসন্ন ঈদে গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ফ্যামিলি থিম কালেকশন নিয়ে আসা হবে।

এমএম/আরএস/এএইচ/এমএস