মোস্তাফিজের বিধ্বংসী বোলিং, ঢাকাকে হারিয়ে দুইয়ে রংপুর
শেষ ২ ওভারে প্রয়োজন ২৩ রান। ১৯তম ওভারে বোলিং করতে আসেন আকিফ জাভেদ। উইকেটে সেট ব্যাটার মোহাম্মদ মিঠুন। যিনি এরই মধ্যে ৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করে ফেলেছেন। পাকিস্তানি এই বোলারের কাছ থেকে একটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা মেরে ১৩ রান নিয়ে ফেলেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
শেষ ওভারে প্রয়োজন ১০ রান। বোলার মোস্তাফিজুর রহমান। ডেথ ওভারে যিনি করেন ভয়ঙ্কর বোলিং। তার আগে ১৮তম ওভারে মাত্র ২ রান দিয়েছিলেন তিনি। সেই মোস্তাফিজের সামনে ব্যাটার মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমান রুম্মন। দু’জনই মারকুটে ব্যাটার।
কিন্তু একটি বাউন্ডারি কিংবা একটিও ছক্কা মারতে পারলেন না মিঠুন কিংবা সাব্বির। নিতে পারলেন কেবল ৪ রান। দুই ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ঢাকা ক্যাপিটালসের নিশ্চিত জয়ের ম্যাচ কেড়ে নিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। ৫ রানের ব্যবধানে জয় এনে দিলেন রংপুর রাইডার্সকে।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রংপুর রাইডার্স সংগ্রহ করেছিল ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান। জবাবে ঢাকা ক্যাপিটালস ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৫০ রান। ৪১ ম্যাচে ৫১ রান করে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ম্যান সেরার পুরস্কার জিতলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
১৫৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও আবদুল্লাহ আল মামুন মিলে গড়েন ৫৪ রানের জুটি। ২২ বলে ৩১ রান করেন গুরবাজ। ১৮ বলে ২০ রান করেন আবদুল্লাহ আল মামুন।
সাইফ হাসান ২০ বলে করেন ১৫ রান। ১০ বলে ১১ রান করে আউট হন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ৩৮ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ মিঠুন। হাফ সেঞ্চুরি কররেও শেষ দিকে হাতখুলে খেলতে পারেননি তিনি। ৮ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন সাব্বির রহমান রুম্মন। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট।
এ জয়ে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো রংপুর রাইডার্স। সমান পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে থেকে শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
আইএইচএস/