বিসিবি প্রধানসহ অন্য পরিচালকরাও বিব্রত
নিজ নিজ স্ট্যান্ডিং কমিটির বাইরে প্রকাশ্যে মন্তব্য ও মত প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা
এমনিতেই নির্বাচন নিয়ে বর্তমান বোর্ডের সঙ্গে তামিম ইকবালের একটা অঘোষিত ও শীতল লড়াই চলছে। তামিম বোর্ডের কার্যক্রম নিয়ে বেশিরভাগ সময়ই সমালোচনামুখ।
সেগুলো নিয়ে বোর্ডে খুব যে একটা বড় প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে তা নয়। তবে পরিচালক নাজমুল ইসলামের ওই বিতর্কিত ও নোংরা, কুরুচিপূর্ণ ফেসবুক পোষ্টে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এমনিতেই ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত অবিচল থাকা এবং আইসিসির আনুকুল্য পাওয়াই এখন বোর্ড কর্তাদের চাওয়া। সেখানে বোর্ডেরই এক পরিচালকের এমন কীর্তি! প্রায় সব পরিচালককেই ডুবিয়েছে লজ্জায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তারই সহকর্মীর এমন পোস্টে হতভম্ব হয়ে গেছেন খোদ বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন পরিচালক অকপটে স্বীকার করেছেন তামিম ইকবালের মতো দেশ বরেণ্য ও জাতীয় তারকার বিপক্ষে ফেসবুকে এমন পোষ্ট দেয়া একদমই ঠিক হয়নি। বরঞ্চ খুবই নিন্দনীয় কাজ হয়েছে।
এই ইস্যুতে খোদ বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুলের প্রতিক্রিয়া কী? তিনি তো আগে থেকেই দুই পরিচালক আসিফ আকবর ও আদনান দিপনের বিতর্কিত মন্তব্যে বিব্রত ছিলেন। নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত ও কুরুচিপূর্ণ পোষ্ট দেখার পর তার প্রতিক্রিয়া কী?
জাগো নিউজের সঙ্গে আজ শুক্রবার সন্ধ্যার পর মুঠোফোনে আলাপকালে এই স্পর্শকাতর ইস্যুতে সরাসরি কোন মন্তব্য করা থেকে বিরত ছিলেন বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে আভাস ইঙ্গিতে পরিষ্কার বোঝা গেছে তিনি রিতিমত হতাশ ও ক্ষুব্ধ।
বাস্তবে বিসিবি সভাপতির ‘এখন শ্যাম রাখিনা কুল রাখি অবস্থা’ না তামিমের প্রতি সরাসরি সহানুভূতি জানাতে পারছেন, না নিজের সহকর্মীকে প্রকাশ্যে তিরষ্কার করতে পারছেন।
তবে জাগো নিউজকে তিনি স্পষ্টই জানিয়েছেন, ‘আমি সবাইকে বলে দিয়েছি, বোর্ড থেকে লিখিতভাবে জানানোও হয়েছে, বিতর্কিত মন্তব্য ও পোষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকতে। এবং সবাইকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে সব পরিচালকই যেন নীতি-নির্ধারণী ও স্পর্শকাতর বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। সংশ্লিষ্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির বাইরে আর অন্য কোন বিষয় নিয়ে কাউকে মিডিয়ায় কথা বলতেও নিষেধ করে দেয়া হয়েছে।’
এআরবি/আইএন