এবার কে হবেন সৌম্য?
ইতিহাস জানাচ্ছে, স্মরণকালের মধ্যে এই প্রথম বাংলাদেশ যে কোনো ফরম্যাটে সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ ও মাশরাফি ছাড়া প্রথম মাঠে নামছে। শীর্ষ তারকাদের ছাড়া নুরুল হাসান সোহানের তরুণ দল কেমন করবে? তা দেখতেই উন্মুখ ভক্ত-সমর্থকরা।
তরুণদের জন্য কাজটা কঠিন। কারণ বেশিরভাগ সময় তারা খেলেছেন শীর্ষ তারকাদের ছায়ায়। সাকিব, তামিম, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ বেশিরভাগ খেলায় কার্যকর অবদান রেখেছেন। তাদের সঙ্গে ছোটখাটো ভূমিকা ছিল তরুণ ও নবীনদের।
এবার তাদের নিতে হবে অগ্রণী ভূমিকা। তরুণদের এই দলে সবচেয়ে বড় আক্ষেপ সম্ভবত সৌম্য সরকারের না থাকা। ইতিহাস সাক্ষী দিচ্ছে, মাত্র এক বছর আগে এই হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজেও বাংলাদেশের সিরিজজয়ের রূপকার ছিলেন সৌম্য।
সৌম্যর অলরাউন্ড নৈপুণ্যে টাইগাররা প্রথম ম্যাচ জিতেছিল ৮ উইকেটে। দ্বিতীয় ম্যাচে ২৩ রানে হারলেও শেষ ম্যাচ ৫ উইকেটে জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।
সৌম্য প্রথম ম্যাচ (৪৫ বলে ৫০ রান ও ১/১৮) ও তৃতীয় ম্যাচে (৪৯ বলে ৬৮ ও ২/১৯) অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পাশাপাশি হয়েছিলেন সিরিজসেরাও। এবার দলেই নেই সৌম্য। কে নেবেন তার ভূমিকা?
ওপেনিংয়ের অবস্থা খুব খারাপ। মুনিম শাহরিয়ার, এনামুল হক বিজয় আর নাজমুল হোসেন শান্ত-কেউই ফর্মে নেই। বিকল্প ওপেনার হিসেবে নেওয়া হয়েছে পারভেজ হোসেন ইমনকে। এ তরুণ ‘এ’ দলের হয়ে সেঞ্চুরি করে নির্বাচকদের মন জয় করে দলে এসেছেন। তিনি কি সুযোগ পাবেন?
শেষ ৭-৮ ম্যাচে ওপেনিং নিয়ে রীতিমত ধুঁকেছে বাংলাদেশ। অথচ এক বছর আগে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে নাইম শেখ আর সৌম্য ভালো খেলেই দলের সাফল্যর ভিত রচে দিয়েছিলেন।
এবার ওপেনিংটা সামলাবেন কারা? কাদের খেলানো হবে ওপেনার হিসেবে? তা নিয়েও আছে জোর সংশয়। কেউ কেউ বলছেন, লিটন দাস আর পারভেজ ইমন ওপেন করবেন। আবার কারো মত মুনিম শাহরিয়ার, নাজমুল শান্ত আর এনামুল বিজয়ের যে কোনো দুজনকে ওপেনার হিসেবে দেখা যেতে পারে।
তবে তাদের অন্তত ৪ জন খেলবেন, এটা জোর দিয়েই বলা যায়। এর বাইরে আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদি হাসান মিরাজও থাকবেন। এখন দেখার বিষয়, কে এবার সৌম্যর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন?
এআরবি/এমএমআর/এএসএম