ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

শেখ জামাল না আবাহনী, শেষ হাসি কার?

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশিত: ০৮:৩৮ পিএম, ১২ মে ২০২৩

সুপার লিগের দুই ম্যাচ যেতেই বোঝা যাচ্ছিল চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল আর আবাহনী ম্যাচই হতে পারে লিগ নির্ধারণী ম্যাচ। সেই খেলাটাই হয়ে উঠতে পারে অঘোষিত ফাইনাল।

শেষ পর্যন্ত হলোও তাই। আবাহনী আর শেখ জামালের খেলাটিই পরিণত হলো অঘোষিত ফাইনালে। আগামীকাল শনিবার শেরে বাংলায় সেই অঘোষিত ফাইনালে মুখোমুখি হবে নুরুল হাসান সোহানের শেখ জামাল আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের আবাহনী।

ওঠা নামার পালায় একসময় আবাহনী ও শেখ জামাল সমান সমানেই এগোচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, দুই দল সমান্তরালে থেকেই শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে। কিন্তু সুপার লিগের প্রথম খেলায় গাজী গ্রুপের কাছে শেখ জামাল শোচনীয়ভাবে হেরে বসায় এগিয়ে যায় আবাহনী। আবার সুপার লিগে নিজেদের চতুর্থ খেলায় আবাহনী গাজী গ্রুপের কাছে হারলে দুই দলের পয়েন্ট আবার সমান হয়ে যায়। এখন আর কোনো সমীকরণ নেই, কাল শনিবার যে জিতবে সেই হবে চ্যাম্পিয়ন।

প্রথম লিগে এই দুই দলের লড়াইয়ে পারেনি আবাহনী। শেখ জামাল জিতেছে ৪ উইকেটে। ওই জয়ের নায়ক ছিলেন তাওহিদ হৃদয়। ৭৭ বলে ৭২ রানের দারুণ সাহসী, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে শেখ জামালের জয়ের স্থপতি ছিলেন হৃদয়।

কিন্তু আয়ারল্যান্ডের সাথে সিরিজ খেলতে তিনি এখন ইংল্যান্ডের চেমসফোর্ডে। শেখ জামালের প্রথম একাদশের আরও দুজন অপরিহার্য সদস্য মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী আর এবাদত হোসেনও অলিখিত ফাইনালে খেলতে পারবেন না। এই দুজন পেসারও চেমসফোর্ডে। কাজেই রাউন্ড রবিন লিগে শেখ জামাল পুরো শক্তিতে খেলতে পারলেও কাল পারবে না।

দু দলের ব্যাটাররাই ফর্মে আছেন। বিশেষ করে ওপেনার ও টপ অর্ডারই আবাহনী ও শেখ জামালের প্রধান শক্তি। একটি ছোট্ট পরিসংখ্যানই জানান দেবে, আবাহনী ও শেখ জামালের ব্যাটিংটা ওপেনার আর টপ অর্ডারদের ওপর কতটা নির্ভরশীল।

এখন পর্যন্ত লিগের ৫ সর্বোচ্চ রান সংগ্রকারির ৪ জনই আবাহনী ও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের। এর মধ্যে রান তোলায় প্রথম দুজন আবাহনী ওপেনার নাইম শেখ (১৫ খেলায় এক শতক ও ৯ অর্ধশতকসহ ৮৬৪), এনামুল হক বিজয় (১৫ খেলায় ৩ সেঞ্চুরি ও ২ হাফসেঞ্চুরিতে ৭৬২ রান)।

তৃতীয় যদিও লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ভারতীয় রিক্রুট চেরাগ জানি (১৫ খেলায় ৬৩৬), তবে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান দুটি শেখ জামাল ওয়ান ডাউন ফজলে মাহমুদ রাব্বি (১৫ খেলায় ১ শতক ও ৩ অর্ধশতকে ৬৩১) আর ওপেনার সাইফ হাসানের (১ সেঞ্চুরি ও ৫ হাফসেঞ্চুরিসহ ৬৩০)।

একইভাবে দুই দলের বোলাররাও ধারাবাহিকভাবে ভালো করে দলের সাফল্যে রেখেছেন বড় ভূমিকা। লিগে সর্বাধিক উইকেটশিকারি শেখ জামালের ভারতীয় স্লো মিডিয়াম পেসার পারভেজ রসুল (১৫ খেলায় ৩১ উইকেট)।

শীর্ষ পাঁচ উইকেটশিকারির একজন হলেন আবাহনীর বাঁহাতি স্পিনার তানভির ইসলাম (১৪ খেলায় ২২ উইকেট)। তিনি বোলারদের মধ্যে পাঁচ নম্বরে।

এছাড়া শেখ জামালের বাঁহাতি স্পিনার আরিফ আহমেদ ১৫ খেলায় ২০ উইকেট দখল করে উইকেট শিকারে সপ্তম। সুপার লিগে এসে একাদশের বাইরে ছিটকে পড়া আবাহনী পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও প্রথম লিগে ১১ খেলায় ১৮ উইকেট দখল করে উইকেটশিকারে ছিলেন ওপরের দিকে।

এখন দেখা যাক, শনিবার অলিখিত ফাইনালে দই দলের কারা সময়মতো ব্যাট ও বল হাতে জ্বলে উঠেন!

এআরবি/এমএমআর/এএসএম