ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

দুই ওপেনারকে কৃতিত্ব দিলেন আফিফ

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশিত: ০৮:২৮ পিএম, ১৩ মে ২০২৩

আবাহনীর শিরোপা জয়ের প্রধান স্থপতি কে বা কারা? যে কেউ একবাক্যে বলবেন, দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাইম শেখ আর এনামুল হক বিজয়ের নাম। সেই শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলেছেন এ দুই ওপেনার।

এবারের প্রিমিয়ার লিগে দুজনার ব্যাটেই রানের নহর বয়েছে। ১৬ খেলায় ৯৩২ রান করে নাইম শেখ লিগের টপ স্কোরার। সমান খেলায় ৮৩৪ রান করে রান সংগ্রহে দ্বিতীয় এনামুল হক বিজয়। এ দুই ওপেনার মিলে তুলে দিয়েছেন ১৭৬৬ রান। আর সেটাই আবাহনীর সাফল্যের প্রধান ভিত।

আজ শনিবারও আবাহনীর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ জয়ে বড় ভূমিকা ছিল নাইম-বিজয়ের। দুজনই পঞ্চাশের ঘরে পা রাখেন। বিজয় ৮১ বলে ৭২ আর নাইম শেখ ৭৯ বলে ৬৮ করে আউট হন। তারা দুজন প্রথম উইকেটে ১৪৫ রান তুললে লক্ষ্যের পথে অনেকদূর এগিয়ে যায় আবহনী।

কিন্তু আকাশি-হলুদদের জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন আরেকজন, আফিফ হোসেন ধ্রুব। পাঁচ নম্বরে নেমে ৫৩ বলে ৬০ রানের হার না মানা ইনিংস উপহার দিয়ে দল জিতিয়ে সাজঘরে ফেরেন বাঁহাতি আফিফ। অঘোষিত ফাইনালের ম্যাচসেরাও আফিফ।

কারণ, প্রথম উইকেট হারানোর পর একপর্যায়ে ১৫৯ রানে তৃতীয় আর ১৯১ রানে চতুর্থ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল আবাহনী। তখন একদিক ধরে রাখার পাশাপাশি ওভারপিছু লক্ষ্যমাত্রা ঠিক রাখেন আফিফ।

তাই ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে আফিফের হাতে। নাইম শেখ আর বিজয়ের মতো অত রান করতে না পারলেও আফিফও সাড়ে পাঁচশ রান করে রান তোলায় হয়েছেন নবম।

খেলা শেষে ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে উল্লসিত আফিফ। বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হতে তো সবারই ভালো লাগে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে আমাদের সবারই লক্ষ্য ছিল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। আমাদের ওপেনার দুইজন পুরো টুর্নামেন্ট ভালো স্টার্ট দিয়েছে। যে কারণে আমাদের জিনিসটা সহজ হয়ে গিয়েছে। আর মিডল অর্ডারে আমাদের মোটামুটি সব ব্যাটারই টাচে ছিল। সেজন্য শিরোপা জেতা সম্ভব হয়েছে।’

নিজের পারফরম্যান্সেও সন্তুষ্ট আফিফ, ‘অবশ্যই ভালো খেলতে পেরেছি। দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমার কন্ট্রিবিউশন ছিল। অবশ্যই হ্যাপি।’

তিনি সবসময় ওপরে ব্যাটিং করতে পছন্দ করেন, এ তথ্য জানালেও আফিফ বলেন, ‘তাই বলে আমাকে ওপরে খেলাতে হবে, এমন কথা হয়নি কারো সঙ্গে। আমি কখনই প্রত্যাশা রাখি না। আমি সবসময় বর্তমান নিয়ে ভাবতে পছন্দ করি। এখানে খেলাগুলোতে আমি ফোকাস করেছি। সামনে যে খেলাগুলো আছে সেগুলোয় ফোকাস করব।’

এআরবি/এমএমআর/জিকেএস