অধিনায়কের নাম ঘোষণা এভাবে কেন?
ফাইল ছবি
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আসলো ঘোষণা। এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানই অধিনায়ক। খোদ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন দিয়েছেন এ ঘোষণা। কিন্তু অধিনায়কের নাম ঘোষণায় যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলো, সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।
শুক্রবার জুমআর নামাজের পর নিজের গুলশানের বাসায় টিভি রিপোর্টারদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবি প্রধান।
অনেক কৌতুহল ছিল অধিনায়ক মনোনয়ন ও ঘোষণা নিয়ে।
বিসিবি থেকে বলা হয়েছে যে, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বেঁধে দেয়া সময়সীমা মানে ১২ আগস্টের মধ্যেই নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক তথা এশিয়া কাপ আর বিশ্বকাপের ক্যাপ্টেন ঘোষণা করা হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোনোরকম তথ্য না মিললেও
আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন সকাল ১১টার দিকে বিসিবির সিনিয়র পরিচালক ও ক্রিকেট অপস প্রধান জালাল ইউনুস জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, আজও ঘোষণা আসতে পারে। শেষ পর্যন্ত জুমআর নামাজ শেষ হবার মিনিট বিশেক পরই আসলো ঘোষণা।
তবে কোনো ঢাকঢোল পিটিয়ে নয়। কোনো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনেও নয়। এমনকি বিসিবি মিডিয়া উইং থেকে বোর্ড প্রধানের বাসায় সংবাদ মাধ্যমের জমায়েতে কোনো আগাম ঘোষণাও দেওয়া হয়নি।
অধিনায়ক কে হবেন, সে কৌতুহল থেকে টেলিভিশন চ্যানেলের রিপোর্টারদের এক বহর গুলশানে বিসিবি সভাপতির গুলশানের বাসায় গিয়েছিল। সেখানেই বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের নাম ঘোষণা করেন।
এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের মতো মহাদেশীয় আসরে অধিনায়ক ঘোষণার মত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন না ডেকে কেন এমন বিচ্ছিন্নভাবে? তার কোনো সদুত্তর নেই সংশ্লিষ্ট কারো কাছে।
নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক কে, সে প্রশ্নের উত্তর মিললো বটে। কিন্তু বিসিবির পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই গেলো!
এআরবি/এমএমআর/জিকেএস