ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

বিশ্বকাপ বাছাই: ইউরোপ

হালান্ডের হ্যাটট্রিক, ইসরায়েলের জালে ৫ গোল নরওয়ের

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৯:২৯ এএম, ১২ অক্টোবর ২০২৫

ম্যানচেস্টার সিটির তারকা আর্লিং হালান্ডের বিধ্বংসী হ্যাটট্রিক এবং রেকর্ড গড়ার দিনে ইসরায়েলকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার পথে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পার করল নরওয়ে। এটি ছিল ১৯৯৮ সালের পর নরওয়ের প্রথম বিশ্বকাপ খেলার লক্ষ্য পূরণের পথে অন্যতম বড় জয়।

ম্যাচের শুরুতেই নাটকীয়তা সৃষ্টি হয়। প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যেই দু'বার পেনাল্টি পায় নরওয়ে, আর দু'বারই শট নেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা ফরোয়ার্ড হালান্ড। কিন্তু দু'বারই ইসরায়েলের গোলরক্ষক ড্যানিয়েল পেরেতজ সেই শট রুখে দেন (এনক্রোচমেন্টের কারণে একবার পুনরায় পেনাল্টি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল)।

তবে স্বাগতিকদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। আলেকজান্ডার সোরলথের ক্রস থেকে ইসরায়েলি মিডফিল্ডার আনান খালাইলি নিজের জালেই বল জড়িয়ে দিলে এগিয়ে যায় নরওয়ে।

দুটি পেনাল্টি মিস করে যেন তেঁতে ছিলেন হালান্ড। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে নিজের প্রথম গোল করেন ডান পায়ের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে। এটি তার ক্লাব ও দেশের হয়ে টানা দশম ম্যাচে গোল। চলতি মৌসুমে ম্যানসিটি ও নরওয়ের হয়ে ১২ ম্যাচে মাত্র একটিতে তিনি গোল পাননি!

এক মিনিট পরই আসে কৌতুকপূর্ণ আরেক গোল— ইসরায়েল গোলরক্ষক পেরেতজের ক্লিয়ারেন্স সরাসরি ডিফেন্ডার ইদান নাখমিয়াসের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়!

দ্বিতীয়ার্ধে হালান্ড আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। ৫৮তম মিনিটে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করার পর তিনি আন্তোনিও নুসারের ক্রস থেকে ব্যাক পোস্টে হেড দিয়ে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন (৭২ মিনিট)।

২৫ বছর বয়সী এই তারকা এখন ৪৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৫১টি গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন— ইতিহাসে দ্রুততম খেলোয়াড় হিসেবে দেশের হয়ে ৫০ বা তার বেশি গোল করার রেকর্ড গড়লেন তিনি। এই রেকর্ডে তিনি হ্যারি কেইনকে টপকে গেলেন, যিনি ৭১ ম্যাচে এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন। এই হ্যাটট্রিকটি ছিল হালান্ডের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হ্যাটট্রিক। যা তাকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিক রেকর্ডের (১০) কাছাকাছি নিয়ে গেল।

গ্রুপ পরিস্থিতি

এই জয়ে নরওয়ে গ্রুপ আই-এর শীর্ষে অবস্থান মজবুত করেছে। ৬ ম্যাচে তাদের পূর্ণ ১৮ পয়েন্ট। তারা ২০০০ সালের পর কোনো বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলেনি এবং ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ওঠেনি। অন্যদিকে একই গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইতালি তল্লিনে এস্তোনিয়াকে ৩–১ গোলে হারিয়ে টিকে আছে প্রতিযোগিতায়। ৫ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১২। এই জয়ে ইতালি নরওয়ের চেয়ে ৬ পয়েন্ট পিছিয়ে আছে, তবে তাদের হাতে এখনো একটি ম্যাচ বেশি।

আইএইচএস/এমএস