ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

রাতেই বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকা থেকে কোরিয়া যাত্রা

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশিত: ০৯:৩০ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফিটি দেখতে কেমন? খাটি সোনার তৈরি এই ট্রফির ছবি দেখেনি এমন ফুটবল দর্শক কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। তবে ৬ কেজি ১৭৫ গ্রাম ওজনের এই ট্রফিটি খুব কাছ থেকে দেখতে কেমন সেই কৌতূহল তো থাকবেই। বিশ্বকাপের এই আকর্ষণীয় ট্রফি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেলেও কে নষ্ট করবেন?

যদি ট্রফির পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা যায় তাহলে তো কথাই নেই। তাই বাংলাদেশে যতবারই ট্রফি এসেছে ততবারই দেখা গেছে দর্শকদের বিপুল আগ্রহ। তবে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফির ঢাকা সফরে নির্বাচিত দর্শক ছাড়া কেউ সুযোগ পাননি কাছ থেকে দেখার কিংবা ছবি তোলার। তাই এটা বলাই যায়, আগের তিনবারের মতো এবার ট্রফি নিয়ে দর্শকের ঢল দেখা যায়নি প্রদর্শনীর ভেন্যু হোটেল রেসিন ব্লুতে।

ট্রফির বিশ্ব ভ্রমণে সাথে থাকেন একজন সাবেক তারকা ফুটবলার। এবার এসেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী দলের তারকা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। কন্যাকে সাথে করেই তিনি এসেছেন বাংলাদেশে। সকাল ১০টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে এই ট্রফির পৃষ্ঠপোষক কোকোকোলার নিজস্ব বিমান। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ট্রফি নেওয়া হয় হোটেলে। সেখানেই ট্রফি দর্শন ও ফটো তোলার সেশন চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

কোকাকোলার ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কোকাকোলা পান করে প্রাপ্ত টিকিট প্রাপ্ত কিছু দর্শক এবং আমন্ত্রিত মিলিয়ে ১ হাজার ২০০ জনের মতো মানুষের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বাফুফে থেকেই পাঠানো হয়েছিল ২২০ জনের একটি তালিকা।

এরমধ্যে জাতীয় ফুটবল দল ও জাতীয় নারী ফুটবল দলের ২০ জন করে ৪০ জনের যাওয়ার কথা ছিল। নির্বাহী কমিটি এবং অন্যান্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরাও ছিলেন তালিকায়। এছাড়া প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ, প্রথম বিভাগ লিগ, নারী লিগের ক্লাবের একজন করে প্রতিনিধির নাম বাফুফে থেকে পাঠানো হয়েছিল কোকাকোলা কর্তৃপক্ষের কাছে।

জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বিমানবন্দরে ট্রফি বরণ করেন। তিনি ও শেখ মোরসালিন কোকাকোলার সরাসরি আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন। এর বাইরে জাতীয় দলের কোনো ফুটবলারকে হোটেল রেডিসনে দেখা যায়নি।

বিশেষ করে জাতীয় নারী ফুটবল দলের একজন প্রতিনিধি না থাকা নিয়ে সমালোচনা করতে শোনা গেছে অনেককে। তবে বাফুফের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলছিলেন, লিগ খেলতে খেলতে নারী ফুটবলাররা নাকি ক্লান্ত তাই তারা আসেননি। তবে নারী জাতীয় দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার জানেন না- তাদের ট্রফি দেখতে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা ছিল কি না। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাকে যাওয়ার জন্য কেউ কিছু বলেননি।’

যোগাযোগ করা হলে বাফুফের মিডিয়া এক্সিকিউটিভ খালেদ মাহমুদ নওমি বলেন, ‘ফুটবলারদের যাওয়ার জন্য সব ব্যবস্থা ছিল। সকালে আমি আফঈদা, ঋতুপর্ণা, মনিকা, মারিয়া ও শামসুন্নাহারসহ সিনিয়র অনেককে ফোনও করেছিলাম। কেউ যেতে চাননি।’

বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ট্রফি বরণ করতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। হোটেলে ছিলেন দুই সহ-সভাপতি ফাহাদ করীম, সাব্বির আহমেদ আরেফসহ আরও কয়েকজন সদস্য।

প্রায় ১২ ঘণ্টার মতো ঢাকায় অবস্থানের পর ট্রফি বুধবার রাতেই কোরিয়া যাত্রা করবে। এবার ৩০ দেশের ৭৫ স্থানে ট্রফি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৩ জানুয়ারি সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে শুরু হয়েছে ট্রফির বিশ্ব ভ্রমণ। ১৫০ দিনের ভ্রমণ শেষ হবে ১১ জুন মেক্সিকোতে।

আরআই/আইএইচএস/