রেফারিকে ‘লাথি মেরে’ শাস্তির মুখে জামাল ভূঁইয়া
ম্যাচ শেষে রেফারিকে লাথি মারার অভিযোগে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ও জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এখন শাস্তির মুখে। বাফুফে এ বিষয়ে জামাল ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে নোটিশ করেছে। সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবও একটি চিঠি দিয়েছে বাফুফেকে।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মুন্সিগঞ্জে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের শেষে এই ঘটনা ঘটেছে। ম্যাচে শেখ রাসেল পেনাল্টি গোলে হারিয়েছে সাইফকে।
পেনাল্টি দেওয়ার পর প্রতিবাদ করেছিল সাইফ। ম্যাচ শেষে রেফারি ও সহকারী রেফারিদের ঘিরে ধরেছিলেন সাইফ এসসির কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়রা।
ম্যাচের কমিশনার বাফুফেকে রিপোর্ট দিয়েছেন, ওই সময় জামাল রেফারিকে লাথি মেরেছিলেন। যদিও রেফারি সরে যাওয়ায় লাথি লেগেছে সহকারী রেফারির গায়ে।
জামাল ভূঁইয়া অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। জামালের যুক্তি, ‘আমি লাথি মারলে রেফারি লাল কার্ড দেখালেন না কেন?’
এই ঘটনায় বাফুফেকে চিঠি দিয়ে বিষয়টির অধিকতর তদন্ত দাবি করেছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। চিঠি জমা দিয়ে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সুমন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা কারণ দর্শানোর নোটিশটা পেয়েছি। আমাদের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াসহ কয়েকজন খেলোয়াড় আবেগের বশবর্তী হয়ে মূলত রেফারির কাছে পেনাল্টির বিষয়ে জানতে চেয়েছে।
‘ম্যাচ কমিশনার ও রেফারির রিপোর্টের ভিত্তিতে কিছু কিছু কারণে কেন আমাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। চিঠির মাধ্যমে ফেডারেশন বরাবর আমরা জানিয়েছি তা। বিষয়টা ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে উঠবে। সেখান থেকে যা সিদ্ধান্ত আসবে আমাদের সেটা মেনে নিতে হবে।’
এ বিষয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘জামাল ভূঁইয়ার বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। ম্যাচ রেফারি এবং ম্যাচ কমিশনার যখন কোনো বিষয়ে রিপোর্ট করে সেটা কিন্তু খুব গোপনীয় বিষয়। সেই গোপন রিপোর্টগুলো যখন আমাদের কাছে আসে, আমাদের আবার যেসব প্রসিডিউর রয়েছে, আমাদের লিগ্যাল ডিপার্টমেন্টে কাছে সেগুলো চলে যায়। ফুটবলের কার্যক্রম মূলত যেভাবে পরিচালিত হয়, তখন তারা সেই বিষয়ে জানতে চায়।’
‘ম্যাচ রেফারি কিংবা কমিশনার রিপোর্টের বিষয়ে তখন তারা জানতে চায়। যাদের কিংবা যার বিরুদ্ধে রিপোর্ট করা হয়, তাদের কিংবা তার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। আমরা এটা কিন্তু শোকজ বলি না। এ বিষয়ে তাদের অবস্থান আসলে জানতে চাই। তাদের কাছে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়, সেটা আমাদের বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কোডে রয়েছে।’
আরআই/এমএমআর/আইএইচএস/এএসএম