ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. তথ্যপ্রযুক্তি

নতুন প্রজন্মের সুপারকম্পিউটার আনছে এনভিডিয়া

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৩১ পিএম, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনী সিইএস ২০২৬-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বচালিত যান এবং গ্রাফিক্স প্রযুক্তিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে এনভিডিয়া। সিইএসের মূল মঞ্চে এসব নতুন প্রযুক্তির ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেনসেন হুয়াং।

এনভিডিয়া জানিয়েছে, তারা ‘ভেরা রুবিন’ নামের নতুন প্রজন্মের সুপারকম্পিউটার নির্মাণ ও উৎপাদন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই সুপারকম্পিউটারটি এনভিডিয়ার নতুন জিপিইউ আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। একটি ভেরা সিপিইউতে রয়েছে ৮৮টি কাস্টম ‘অলিম্পাস’ কোর এবং ১.৫ টেরাবাইট সিস্টেম মেমোরি, যেখানে মোট ট্রানজিস্টরের সংখ্যা ২২৭ বিলিয়ন। অন্যদিকে, একটি রুবিন জিপিইউতে রয়েছে ৩৩৬ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর। প্রতিটি ভেরা রুবিন সুপারকম্পিউটারে দুটি সিপিইউ ও দুটি জিপিইউ ব্যবহৃত হচ্ছে।

এছাড়া স্বচালিত গাড়ির প্রযুক্তিতে এনভিডিয়া উন্মোচন করেছে ওপেন-সোর্স এআই মডেলের নতুন পরিবার ‘আলপামায়ো’। এর প্রধান মডেল ‘আলপামায়ো-১’ একটি ১০ বিলিয়ন প্যারামিটারভিত্তিক চেইন-অব-থট এআই সিস্টেম, যা মানুষের মতো চিন্তাভাবনা করে জটিল ড্রাইভিং পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।

এআই মডেলটি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিকে ছোট ছোট সমস্যায় ভাগ করে নিরাপদ পথ নির্ধারণ করতে পারে এবং প্রতিটি ধাপে নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যাও দিতে পারে। পাশাপাশি ‘আলপাসিম’ নামে আরেকটি মডেল চালু করা হয়েছে, যা বাস্তবে খুব কম দেখা যায় এমন ড্রাইভিং পরিস্থিতির জন্য ক্লোজড-লুপ ট্রেনিংয়ে ব্যবহৃত হবে।

জেনসেন হুয়াং জানান, ২০২৫ সালের মার্সিডিজ-বেঞ্জ সিএলএ হবে প্রথম গাড়ি, যেখানে এনভিডিয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বচালিত যান (এভি) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো একদিন প্রতিটি গাড়ি ও ট্রাককে স্বচালিত করা।’

গেমিং ও ডিসপ্লে প্রযুক্তিতেও নতুন আপডেট এনেছে এনভিডিয়া। প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছে ডিএলএসএস ৪.৫ এবং জি-সিঙ্ক পালসার প্রযুক্তি। ডিএলএসএস ৪.৫-এ দ্বিতীয় প্রজন্মের ট্রান্সফরমার মডেল ব্যবহারের ফলে গ্রাফিক্স আরও স্থিতিশীল হবে। এতে যুক্ত হচ্ছে ৬এক্স মাল্টি-ফ্রেম জেনারেশন ও ডাইনামিক ফ্রেম জেনারেশন সুবিধা, যা চলতি বসন্তেই চালু হবে।

অন্যদিকে জি-সিঙ্ক পালসার প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিসপ্লের ব্যাকলাইট পালসিং করে প্রায় ১,০০০ হার্টজের সমমানের মোশন ক্ল্যারিটি দেওয়ার দাবি করেছে এনভিডিয়া। এসব ডিসপ্লে পরিবেশ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে উজ্জ্বলতা ও রঙের তাপমাত্রাও সমন্বয় করতে পারবে। প্রথম দফার জি-সিঙ্ক পালসার ডিসপ্লের প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে ৭ জানুয়ারি।

আরও পড়ুন
‘ব্লু টিক অ্যাংজাইটি’ ডিজিটাল যুগের মানসিক চাপ
গ্যালাক্সি জেড ট্রাইফোল্ড: ৩ ভাঁজ করা ফোন আনলো স্যামসাং

শাহজালাল/কেএসকে

আরও পড়ুন