দেশজুড়ে

নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

সারাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে। উৎসব না হলেও নতুন বই হাতে পেয়ে অনেক খুশি শিক্ষার্থীরা। দেশের বিভিন্ন স্থানে বই বিতরণ কর্মসূচি নিয়ে জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক, জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

গাইবান্ধাবছরের প্রথম দিনে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যবই বিতরণ। সকাল থেকেই জেলার উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লক্ষণ কুমার দাশ বলেন, জেলার ১৪৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৬০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে নতুন পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে।

রাজশাহীসকালে জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে র শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। প্রাক-প্রাথমিকে জেলায় চাহিদা ৪১ হাজার ৬২৬টি এবং প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত জেলায় চাহিদা ১১ লাখ ১৯ হাজার ২০৪টি বই। জেলার ৯ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাহিদার শতভাগ পাঠ্যবই ইতোমধ্যে বিদ্যালয়গুলোতে পৌঁছেছে। নির্ধারিত সময়ের আগে প্রাক-প্রাথমিকের জেলায় মোট চাহিদার ৪১ হাজার ৬২৬টি বই এবং প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত চাহিদার মোট ১১ লাখ ১৯ হাজার ২০৪টি বই বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা হয়েছে।

রাজবাড়ীসকাল থে‌কে রাজবাড়ী স‌রকারি উচ্চ ও বা‌লিকা উচ্চ বিদ‌্যাল‌য়সহ জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা‌নের শ্রেণি ক‌ক্ষে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী‌দের হা‌তে নতুন বই তুলে দেন শিক্ষকরা। জেলার মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা‌নে ১৪ লাখ ৯৫ হাজার ২৫২ টি বইয়ের চা‌হিদা থাক‌লেও পাওয়া গে‌ছে ৭০ শতাংশ বই। যা বিতরণ শুরু হ‌য়েছে। ত‌বে একেবা‌রে আসে নাই ৮ম শ্রেণির কোনো বই।

কিশোরগঞ্জসকাল থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খুদে শিক্ষার্থীদের ভিড় দেখা যায়। অনেক অভিভাবক সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে স্কুলে এসে বই সংগ্রহ করেন। নতুন বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস। এ বছর জেলার জেলার স্কুল, মাদরাসা, কারিগরি ও ইংরেজি ভার্সন মিলিয়ে মোট পাঠ্যবইয়ের চাহিদা ছিল ৩৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪শত ২৩টি।

বগুড়া জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে। এবার জেলার ২ হাজার ২৪১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ৮৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বছরের প্রথম দিনে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকের সব বিষয়ের বই হাতে পেয়েছে শিক্ষার্থীরা।

চাঁদপুরসকালে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই বিতরণ শুরু হয়। চাঁদপুর শহরের হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয়, মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষকরা সরাসরি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় প্রায় সাড়ে ১১শ প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২ লাখ ৬১ হাজার শিক্ষার্থীর বই পৌঁছে দেয়া হয়েছে বিদ্যালয়গুলোতে।

পিরোজপুরসকাল থেকে পিরোজপুর জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলছে বই বিতরণ। জেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য মতে, প্রাথমিক শিক্ষার ৯৮৯ প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থীদের মধ্যে এবং মাধ্যমিক, দাখিল, এবতেদায়ি ও ভোকেশনাল এর এক লাখ ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হচ্ছে।

নাটোরসকালে জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। এখনো সব শ্রেণির পাঠ্যবই বিদ্যালয়গুলোতে পৌঁছেনি। ফলে প্রথম দিনে সব শ্রেণির শিক্ষার্থী বই পায়নি। অবশিষ্ট বইগুলো হাতে পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষার্থীর মাঝে পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে।

আরএইচ/জেআইএম