রাজনীতি

ঢাকার ১৩টি আসনে বৈধ মনোনয়নপত্র ১১৯টি, বাতিল ৫৪টি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকার ১৩টি আসনে ২৫৩টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেন ১৭৪ জন প্রার্থী। যাচাই-বাছাই শেষে ১১৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ৫৪টি। একটি মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। ১৩টি আসনেই বিএনপির সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে এসব তথ্য জানান ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমেদ।

রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, স্থগিত রাখা মনোনয়নটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফুল হকের, যিনি ঢাকা-১৮ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি সম্পূরক হলফনামা দাখিলের জন্য সময় চাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণ সম্পর্কে শরফ উদ্দিন বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থক তালিকায় অনিয়ম, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত সমস্যা, হলফনামায় স্বাক্ষরের অভাব, অসম্পূর্ণ বা ভুল কাগজপত্র, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা এবং অনুমোদিত দলীয় প্রতিনিধির স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কয়েকজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে দলটির সাধারণ সম্পাদকের পদবি সংক্রান্ত তথ্যের অসামঞ্জস্য থাকায় বিষয়টি তার এখতিয়ারভুক্ত নয়। সংশ্লিষ্ট দল চাইলে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারবে।

মনোনয়ন বাতিলের পেছনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতায় সবাই অভিযোগ তুলতেই পারেন। তবে আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করেছি। বাতিল হওয়া প্রত্যেক প্রার্থীকে লিখিতভাবে কারণ জানানো হবে।

শরফ উদ্দিন আহমেদ জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। প্রয়োজনে তারা আদালতের দ্বারস্থও হতে পারবেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও নিশ্চিত করেন, ঢাকার ১৩টি আসনে বিএনপির দাখিল করা সব মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রের বেশিরভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের।

এসএম/এমএমকে/এমএস