বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
কেটলি প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না অভিযোগ করে বলেন, প্রচার শুরুর চার দিন পর তিনি এলাকায় আসার পর থেকেই তার সমর্থকদের নানাভাবে ‘থ্রেট’ বা হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নাগরিক ঐক্যের নারী সংগঠনের সদস্যদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া এবং ব্যবসায়ীদের ১২ তারিখের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মান্না বলেন, নির্বাচনি মাঠ থেকে আমাকে সরিয়ে রাখার জন্য শুরু থেকেই ষড়যন্ত্র চলছে। আমি ঋণখেলাপি ছিলাম না, কিন্তু একটি চক্রান্তের মাধ্যমে আমাকে ঋণখেলাপি বানানোর চেষ্টা হয়েছিল। পরে আদালতের মাধ্যমে আমি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি। এখন এলাকায় আসার পর দেখছি, ভোটার, কৃষক ও স্থানীয় নেতাদের মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। শিবগঞ্জের মোকামতলা ও দেউলিতে আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার প্রসঙ্গ টেনে মান্না আরও বলেন, বিএনপি আমাকে এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। কিন্তু আদালতের প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগার সুযোগে এখানে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এখন আমার পক্ষে যারা কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে। এমনকি পুলিশও অভিযোগ নিতে গড়িমসি করছে।
জামায়াতের সঙ্গে কোনো জোটের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আমি শেষ দিন পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকব এবং সুষ্ঠু ভোট হলে ফলাফল ওলট-পালট হয়ে যেতে পারে।
নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ করেননি মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে প্রয়োজনে অভিযোগ করবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তিনি।
এল.বি/কেএইচকে/এমএস