ক্যাম্পাস

জবি বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাঁচ ছাত্রসংগঠনের হেল্প ডেস্ক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় হেল্প ডেস্ক বসিয়েছিল পাঁচটি ছাত্রসংগঠন। সংগঠনগুলো তথ্য সহায়তার পাশাপাশি আগত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দিয়েছে বসার জায়গা, চিকিৎসা সেবা, খাবার পানি, স্যালাইন এবং ওষুধ।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে প্রধান ফটকের সামনে থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বুথ বসিয়ে এ সেবা দেন সংগঠনগুলোর সদস্যরা।

শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বুথ বসানো ছাত্রসংগঠনগুলো হলো- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাতীয় ছাত্রশক্তি, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ছাত্রী সংস্থাসহ বিভিন্ন জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ।

এ বিষয়ে জবি ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অনেক পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। অনেক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে তাদের অভিভাবকরা এসেছেন। আবার অনেকে একাই এসেছেন। পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও ইলেকট্রনিকস ডিভাইস যেগুলো পরীক্ষার হলে নেওয়া নিষেধ সেগুলো রাখার ব্যবস্থা করেছি। একই সঙ্গে অভিভাবকদের জন্য বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শাখা ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলরা নিয়োজিত আছেন। তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের জন্য পানি ও কলমের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য সানজিদ বলেন, আজ বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধার্থে আমরা সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছি। পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিরাপদে রাখার পাশাপাশি অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে কোনো তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের পানি, কলম ও প্রাথমিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যেন তারা নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

জাতীয় ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস শেখ বলেন, ভর্তি পরীক্ষা দিতে অনেক শিক্ষার্থী দূরদূরান্ত থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন। পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে তাদের মোবাইল ফোন, ব্যাগসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আজ জবির ‘বি’ ইউনিটের (কলা ও আইন অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে। ৭৮৫টি আসনের বিপরীতে ৭৯ হাজর ৮০৭ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। প্রতি আসনে লড়েছেন ১০২ জন।

এএমএ