বয়স যেন কারিনা কাপুর খানের কাছে শুধু একটি সংখ্যা। ৪৫ বছর বয়সে ও দুই সন্তানের মা হয়েও নিয়মিত শরীরচর্চা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপনের মাধ্যমে নিজেকে ফিট রেখেছেন। তার ফিটনেস ও সৌন্দর্য অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার ‘সিগনেচার’ সালাদের কথা জানিয়েছেন। সেই সালাদে থাকে শসা, গাজর, মুলো ও লেটুস। উপর থেকে ছড়ানো হয় পাতিলেবুর রস। কারিনার কথায়, একটু স্পাইসি স্বাদই তার পছন্দ।
উপকারিতাপুষ্টিবিদদের মতে, এই সালাদে ক্যালোরি কম, ফাইবার বেশি এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর। কাঁচা সবজির মাধ্যমে পুষ্টিগুণও পুরোপুরি পাওয়া যায়। শসা, লেটুস, গাজর ও মুলোতে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।
শসা প্রাকৃতিকভাবে হাইড্রেটিং এবং হজমে সহায়ক। গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন, যা চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। মুলাতে রয়েছে ফোলেট, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং অ্যান্থোসায়ানিন, যা হার্টের জন্য ভালো। পাতিলেবুর রসে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লেটুসেও রয়েছে ভিটামিন সি, বিটা ক্যারোটিন এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট।
সালাদ খেলে বাওয়েল মুভমেন্ট সচল থাকে, ক্রনিক অসুখের ঝুঁকি কমে এবং ত্বকের জেল্লা বাড়ে।
সালাদে পুষ্টিগুণ বাড়ানোর টিপসশসা, গাজর, মুলা, লেটুস এবং লেবুর রসের সঙ্গে গোলমরিচ, ধনেপাতা, জিরা, পুদিনা পাতা, অলিভ অয়েল বা টকদই মিশিয়ে দিলে সালাদ আরও পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য হয়। এই উপকরণগুলো পুষ্টি শোষণের ক্ষমতা বাড়ায়।
এই সালাদ কারা খাবেন, কারা নয়কিন্তু বাস্তবতা হলো কাঁচা সালাদ সবার জন্য নয়। এই সালাদ স্বাস্থ্যকর এবং কম ক্যালোরি হওয়ায় ওজন কমানোর জন্য উপকারী। তবে যাদের অন্ত্রের সমস্যা সংবেদনশীল অথবা যাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সমস্যা তাদের জন্য কাঁচা সালাদ গ্যাস, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। আইবিএস বা গ্যাস্ট্রাইটিসের মতো সমস্যা থাকলে সালাদ ভাপে বা হালকা রান্না করে খাওয়া ভালো।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
আরও পড়ুন:লেবুর গন্ধে নাকি মনোযোগ বাড়ে, একথা কি সত্য? শুধু অভ্যাস নয়, চায়ের আছে নানান গুণ
এসএকেওয়াই/এএসএম