দেশজুড়ে

আমাদের সম্ভাবনা দেখে কারো কারো ধৈর্যচ্যুতি ঘটছে: মঞ্জু

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান ও ফেনী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, লোকজনকে হুমকি-ধমকি, ভোটকেন্দ্রে আসতে দেওয়া হবে না-এমন অনেক কথা আমরা শুনতে পাচ্ছি। তবে এটি একটি ভালো দিক, বুঝা যাচ্ছে আমাদের সম্ভাবনা দেখে কারো কারো ধৈর্যচ্যুতি ঘটছে। তাদের আত্মবিশ্বাসের অভাবও পরিলক্ষিত হচ্ছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রচার-প্রচারণা করা হচ্ছে। যেখানে নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী কাউকে আশ্বাস, লোভ দেখানো যাবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বিএনপির লোকজন এগুলো অহরহ করছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আমরা এগুলো তুলে ধরেছি। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসব লিখে নিয়েছেন। আমরা জানি না, এই লেখা শুধু লৌকিক বা লোক দেখানো কিনা। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও আমরা বিষয়গুলো জানিয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা এক্সট্রা কোনো প্রিভিলেজ চাই না। আমাদের কথা হচ্ছে অন্যরা যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলেও যখন আমাদের কর্মীরা একই কাজ করে তখন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই জিনিসগুলো কয়েকবার ঘটেছে। এমন চলতে থাকলে নির্বাচনি পরিবেশ ক্ষুণ্ণ হবে।

মঞ্জু বলেন, এখানে প্রায় ৮০টির বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তথ্য রয়েছে। আমরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে বলেছি। ফেনীতে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে আমাদের ভাইদের হত্যা করা হয়েছে। সেইসব সন্ত্রাসীদের অস্ত্র হাতবদল হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান ও সন্ত্রাসীদের একটি তালিকা করার জন্য অনুরোধ করেছি। বিভিন্ন জায়গায় যারা হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। এসব বিষয়ে আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগে করব।

এ সময় ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আব্দুল হান্নান, প্রচার সম্পাদক আ.ন.ম আব্দুর রহিম, এবি পার্টির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম বাদল, জেলা এবি পার্টির সদস্য সচিব ফজলুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্যাহ মানিক, খেলাফত মজলিসের জেলার সহ-সেক্রেটারি আজিজ উল্যাহ আহমদীসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/কেএইচকে/জেআইএম