খেলাধুলা

‘তোমাদের খেলোয়াড়রা বাইরে খেলে না কেন?’

সদ্য সমাপ্ত বিগ ব্যাশে তাসমান সাগরের পাড়ে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন রিশাদ হোসেন। অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে খেলার ফাঁকে রিকি পন্টিং, ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভেন স্মিথদের মতো বিশ্বসেরাদের কথা বলার অভিজ্ঞতা হয়েছে তার।

অজি কিংবদন্তিদের আতিথেয়তায় মুগ্ধ রিশাদ গতকাল ‘অদম্য টি-টোয়েন্টি’ লিগে ধূমকেতুর হয়ে ৩ উইকেট নেওয়ার পর শোনালেন সেই রোমাঞ্চকর দিনগুলোর গল্প। অজিরা রিশাদের কাছে জানতে চেয়েছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা কেনো বাইরের লিগ খেলে না।

অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে ধূমকেতু একাদশের হয়ে খেলছেন রিশাদ। গতকাল ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রিশাদ বলেন, ‘ওরা জিজ্ঞেস করছিল– বাংলাদেশে তো অনেক ট্যালেন্টেড প্লেয়ার, তারা বাইরে খেলে না কেন। আমি বলেছি– সুযোগ আসলে খেলবে। আমার মনে হয় ওরাও আগ্রহী, যদি সুযোগ দিতে পারে।’

রিশাদকে হোবার্টে ভেড়ানোর পেছনে বড় ভূমিকা ছিল দলটির হেড অব স্ট্র্যাটেজি রিকি পন্টিংয়ের। বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়কের সঙ্গে আলাপ নিয়ে রিশাদ বলেন, ‘প্রতিদিনই তো দেখা হতো, এক দলেই যেহেতু। টুকটাক কথা হয়েছে, অনেক কথাই শেয়ার হয়েছে।’

ব্রেট লির সঙ্গে দেখা হওয়ার মুহূর্তটি ছিল বেশ সাবলীল। রিশাদের ভাষায়, ‘ছবি আমি তুলতে চাইনি। আমি বোলিং করছিলাম। উনারা ডাকছিলেন– এদিকে আসো। এমনি কথা বলছিলাম… ওরা অনেক ফ্রেন্ডলি এবং ওদের থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। চেষ্টা করেছি যতটুকু সম্ভব কথা বলার এবং শেখার।’

স্মিথ-ওয়ার্নারদের মতো মহাতারকাদের মাটির মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে রিশাদ বলেন, ‘আমার মনে হয়, ওরা অনেক বিনয়ী। যত বড় ক্রিকেটারই হোক, অনেক সাদাসিধে, সরল। যে কাউকে সহজে মানিয়ে নেয়। বড়-ছোট দেখে না। এটা ভালো লেগেছে। চেষ্টা করব এরকম থাকার।’

অস্ট্রেলিয়া থাকাকালীন বাংলাদেশের সাবেক কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গেও দেখা হয়েছে রিশাদের। কোচের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলাপের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখা হয়েছে অবশ্যই, আপনারা হয়তো জানেন। কথা হয়েছে (তার সঙ্গে)। বলছিলাম সামনে আরও কী করা যায়, যেহেতু উনি অস্ট্রেলিয়ায় থাকে। চেষ্টা করছিলাম উনার কাছ থেকে আরও ২-১টা পরামর্শ নেওয়ার জন্য। এর বেশি কথা হয়নি।’

এসকেডি/এমএমআর