আসছে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে খুলনা-১ আসন নিয়ে আলোচনার যেন শেষ নেই। দাকোপ-বটিয়াঘাটা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে হিন্দু ভোটার প্রায় ৪৩ শতাংশ। তাদের ভোট টানতে মরিয়া সব দলই। মোট ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনই হিন্দু ধর্মাবলম্বী এই আসনে। এতদিন বিএনপি, আওয়ামী লীগের হিন্দু প্রার্থী থাকলেও এবার জামায়াতে ইসলামী হিন্দু প্রার্থী দিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তবে জোটের মাঠের চেয়ে ভোটের মাঠের হিসাব ভিন্ন বলছেন ভোটাররা।
এই নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেই, ফলে এলাকায় নেই তাদের দাপট। আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনে বিএনপির আমীর এজাজকে ঠেকাতে আঁটঘাঁট বেঁধে নেমেছেন জামায়াতের হিন্দু প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী।
ভোটার-সমর্থকরা যা বলছেনখুলনা-১ আসনের ভোটার গোবিন্দ সরকার। বটিয়াঘাটার এই ভোটারের কাছে কৃষ্ণ নন্দীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পরে এখানকার হিন্দুদের কোনো সমস্যা হয়নি। শান্তিপূর্ণভাবে সবাই বাস করছেন। আর হিন্দু ভোটাররা এখন অনেক সচেতন। তারা বুঝে-শুনেই সিল মারবেন এবার।
গোবিন্দ সরকারের কথায়, হিন্দু ভোট টানতে জামায়াত হিন্দু প্রার্থীকে বেছে নেয়। কিন্তু এটি যে আদতে ভুল তা প্রমাণ হবে ভোটের পর।
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলার মধ্যে জামায়াতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন আবু ইউসুফ। তাকে যদি জামায়াত মনোনয়ন দিতো তাহলে কৃষ্ণ নন্দীর চেয়ে বেশি ভোট পেতো।
শুধু গোবিন্দ সরকার একা নন চায়ের দোকানে বসে থাকা সাত-আটজন ব্যক্তির কথার সুরও প্রায় একই।
৩০০ আসনের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু খুলনা-১ (বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলা) আসন। জামায়াতে ইসলামী প্রথা ভেঙে ডুমুরিয়া উপজেলা হিন্দু কমিটির সাবেক সভাপতি কৃষ্ণ নন্দীকে এখানে প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয়।
আসনটির বিভিন্ন গ্রাম, মহল্লা এবং প্রত্যন্ত এলাকার অন্তত ৩০ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে কৃষ্ণ নন্দীর যে জনপ্রিয়তার কথা শোনা যায় বাস্তবে মাঠের চিত্র ভিন্ন।
ভোটাররা বলছেন, ধর্মীয় পরিচয়ে নয় যে ৫ আগস্টের পর সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন, হিন্দুদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন মূলত তাকেই ভোট দেবেন তারা।
হিন্দু ভোটারদের মধ্যে মিশ্র মনোভাব থাকলেও মুসলমান ভোটাররা কৃষ্ণ নন্দীর জয়ের ব্যাপারে বলছেন ভিন্ন কথা। বালিয়াডাঙ্গার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, এখানে হিন্দু ভোটার বেশি, জামায়াত যেহেতু একজন হিন্দু প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন সেহেতু হিন্দু প্রার্থীই নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও যারা আছেনখুলনা-১ আসনে কৃষ্ণ নন্দীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি প্রার্থী আমীর এজাজ খান। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এলাকাটিতে বিএনপির প্রার্থীকে এগিয়ে রাখছেন অনেকেই। এছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল, কমিউনিস্ট পার্টির কিশোর কুমার রায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ হালদার, গণঅধিকার পরিষদের জি.এম. রোকনুজ্জামান, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রবীর গোপাল রায়, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সুনীল শুভ রায়, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের প্রসেনজিৎ দত্ত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবু সাঈদ, জাতীয় পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টির সুব্রত মণ্ডল।
বিএনপি এ আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট পাননি কখনো। এ বাস্তবতায় জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী ভোটের লড়াইয়ে কতটা দাঁড়াতে পারবেন তা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে চলছে জোর আলোচনা।
কঠিন সমীকরণে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকপুরো এলাকা ঘুরে জানা গেলো, কৃষ্ণ নন্দীর রাজনৈতিক যাত্রা নিয়ে বিতর্কও কম নয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের অতি ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় কৃষ্ণ নন্দী কীভাবে জনপ্রিয় স্থানীয় জামায়াত নেতা শেখ আবু ইউসুফকে হটিয়ে জামায়াতের মনোনয়ন বাগিয়েছেন তা নিয়ে অনেকেই বেশ দ্বিধান্বিত।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কৃষ্ণ নন্দী ছিলেন সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের ঘনিষ্ঠজন।
বালিয়াঘাটা এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন হিন্দু ভোটার বলেন, স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে আমরা কীভাবে ভোট দিতে পারি? যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করলো, সেই মার্কায় ভোট আমরা দেবো না। প্রয়োজনে কেন্দ্রে গিয়ে ব্যালটে সিল মারবো না, তবু দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়া সম্ভব না।
৮০-র বেশি বয়সী আরেকজন বলেন, ‘এই বয়সে এসেও দেখতি হবি হিন্দু লোক জামায়াতের ভোট করে কেমনে। হিন্দুদের কী সম্মান নাই যে জামায়াতে ভোট দিতি হবি।’
আরও পড়ুন:
পুরোনো আসন দখলে মরিয়া পরওয়ার, ছাড় দিতে নারাজ বিএনপিএকই এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, কৃষ্ণ নন্দীর প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিশেষ একটি সংস্থার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শিপন কুমার বসুর সঙ্গে নন্দীর অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কও রয়েছে।
ভোট ব্যাংক আছে কৃষ্ণ নন্দীর?দাকোপ উপজেলার কামারখোলা এলাকার বাসিন্দা রতন পাল। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘এলাকায় যে হিন্দু ভোটার আছেন তারা সবাই একসঙ্গে জোট বেঁধেছেন কৃষ্ণ দাদার দাঁড়িপাল্লায় এইবার ভোট দিতি হবি। কারণ, হিন্দু জয়ী না হলি আমাদের ওপর জুলুম-নির্যাতন হতি পারে। তাই সবাই আমরা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবো।’
আইডি কার্ডে কোথাও সংখ্যালঘু লেখা নেই, সবাইকে বুকে আগলে রাখতে চাইজয় কুমার মণ্ডল নামের একজন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা মার্কা না ব্যক্তি হিসেবে কৃষ্ণ নন্দীকে ভোট দেবো। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ-বিএনপি সবাইকে দেখা আমাদের শেষ। এখন দেখি জামায়াত ক্ষমতা পেলে হিন্দুরা কেমন থাকে। অন্তত এই বিষয় দেখার জন্য হলেও কৃষ্ণকে ভোট দিতে হবে।’
আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়াবটিয়াঘাটার সরওয়ার খন্দকার জাগো নিউজকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকদের ভোট দিতে সবাই কেন্দ্রে নিয়ে যাবে। কারণ ভোটকেন্দ্রে না গেলে আওয়ামী লীগের লোকজনকে অন্যরা মনে করবে যারা ভোট দেয়নি তারা গোড়া আওয়ামী লীগ। এই ভয়েই আওয়ামী লীগের লোকজন কেন্দ্রে যাবে। আর কেন্দ্রে গেলে ভোট একটা না একটা মার্কায় দেবে।’
সাধন হালদার জাগো নিউজকে বলেন, ‘জীবনের প্রথম জাতীয় পার্টিতে ভোট দিয়েছি, এরপর বিএনপিতে এরপর আওয়ামী লীগ। এবারও বিএনপিতে ভোট দেওয়ার ইচ্ছে।’
আওয়ামী লীগের দুর্গ গোপালগঞ্জ, ভোট নিয়ে কী ভাবছেন ভোটাররা?তিনি বলেন, ‘আমি নিজে হিন্দু মানুষ কিন্তু কৃষ্ণ নন্দী এখানে জিততে পারবে না। কৃষ্ণ নন্দী বাদে অন্য কাউকে দিলে তার চাইতে বেশি ভোট পেতো।’
জলমা ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সঞ্জয় ঢালী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি করি। এখানে হিন্দু ভোটার বেশি। বেশিরভাগ আওয়ামী লীগের সমর্থক। তবে এবার আওয়ামী লীগের লোকজন কেন্দ্রে গিয়ে বিএনপিতে ভোট দেবেন বলে আশা করছি।’
বটিয়াঘাটায় হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে বেশ সম্প্রীতি লক্ষ্য করা যায়। চায়ের দোকানে দোকানে দুই-তিনজন মুসলমান হলে বেশিরভাগই হিন্দুরা বসেন। হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে বসে চা খাচ্ছেন। ভোট নিয়ে আলাপচারিতাও করছেন।
বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বিরাট গ্রামের বাসিন্দা বশির উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, হিন্দু ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে তাদের নাকি ভোট দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এখনও। তারা ভোট দিতে যাবে কি যাবে না তাও দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে রয়েছে।
তিনি বলেন, এলাকার নিরীহ আওয়ামী লীগের লোকজনকে যেমন বিএনপি টেনে নিচ্ছেন, আবার জামায়াতের লোকেরাও কাছে টানছেন।
সমস্যায় জর্জরিত বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলানদীভাঙন, সুপেয় পানির অভাব, যাতায়াত ব্যবস্থা, নদী থেকে বালি উত্তোলন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বল্পতা ও মাদকের প্রভাব অনেক বেশি বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলায়। প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
কিন্তু ভোটাররা বলছেন, বিগত দিনেও আওয়ামী লীগ অনেক প্রতিশ্রুতি দিতো। ভোট শেষ হলে আর কেউ খোঁজ নিতো না।
স্থানীয়রা বলছেন, ২০২০ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে এলাকায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সাইক্লোন সেন্টার আছে কিন্তু অনেক দূরে। আবার যদি বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয় তবে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বটিয়াঘাটা বাজারের খেয়া ঘাটের বাসিন্দা আবুল হাসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটি একটি নদী ভাঙন এলাকা। নদী ভাঙতে ভাঙতে অনেকের বাড়িঘর নদীর গহ্বরে হারিয়ে গেছে। এলাকায় সাইক্লোন সেন্টার আছে কিন্তু অনেক দূরে। ঝড় শুরু হলে সেন্টারে যাওয়ার আগেই মানুষ মারা যাবে। আম্ফান ঝড়ের সময় অনেক মানুষকে উড়িয়ে নিয়ে গেছিলো। এরপর রাস্তা-ঘাটের সমস্যাতো আছেই। স্কুল-কলেজ অনেক দূরে দূরে। বর্ষার সময় রাস্তা-ঘাট ডুবে প্রাইমারির স্কুলের বাচ্চাদের অনেক সমস্যা হয়। অনেকে স্কুলে যেতে চায় না। এমপিরা ভোটের আগে অনেক আশ্বাস দেয় কিন্তু আর তাদেরকে পাওয়া যায় না। তাদের বাসার গেটের দ্বারে গেলে এমনভাবে আচরণ করতো, যেন আমরা ফকির মিসকিন!’
জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী যা বললেনভোটের মাঠের সার্বিক অবস্থা জানতে চাইলে কৃষ্ণ নন্দী জাগো নিউজকে বলেন, ‘জামায়াত সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকা একটি দল। জামায়াত সত্য বলে, ন্যায়ের কথা বলে। আমি অনুপ্রাণিত হয়ে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছি। আর হিন্দু হলে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করা যাবে না, এমন কোনো বাধা নেই। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আমি থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। নির্বাচনে বিজয়ী হলে সংসদে গিয়ে আড়াই কোটি হিন্দুর হয়ে কথা বলবো আমি।’
নদী ভাঙন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নদীভাঙন আমার নির্বাচনি এলাকার প্রধান সমস্যা। প্রতি বছর নদীভাঙনে বহু মানুষ বসতভিটা হারাচ্ছে, মানুষের ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে। নদীভাঙন রোধ করা গেলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন আরও দ্রুত করা সম্ভব। এ অঞ্চলের মানুষের প্রতি আমার প্রতিশ্রুতি আধুনিক টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা ‘
ভোটের হিসাবে খুলনা-১দাকোপ উপজেলায় ৫৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং বটিয়াঘাটায় ২৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ বাসিন্দা হিন্দু। সবমিলিয়ে এ আসনের প্রায় ৪৩ শতাংশ ভোটারই হিন্দু সম্প্রদায়ের। খ্রিষ্টানরাও আছেন ২ শতাংশের বেশি। স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনে সংখ্যালঘু প্রার্থীরাই অধিকাংশবার নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৭৩ সালের প্রথম নির্বাচনে কুবের চন্দ্র বিশ্বাস, পরেরবার প্রফুল্ল কুমার শীল জয়ী হন। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা জয়ী হলেও আসন ছাড়ার পর উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরূপে পঞ্চানন বিশ্বাস জয় পান। পরবর্তীতে ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে ননী গোপাল মণ্ডল ও পঞ্চানন বিশ্বাস পর্যায়ক্রমে জিতেছেন। ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে পুনরায় ননী গোপাল মণ্ডল বিজয়ী হন। রাজনৈতিকভাবে এ আসন আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত।
খুলনা-১ আসনের মধ্যে দাকোপে ৯টি ও বটিয়াঘাটায় ৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। এই দুই উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ৭ হাজার ১০৩। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ২৮৫ এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৪। এ আসনেও নারী ভোটার বেশি। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন চারজন।
টিটি/এসএনআর/এমএমএআর/