দেশজুড়ে

স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস-দোকান ভাঙচুর, ৫ জনের সাজা

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের দুটি নির্বাচনি অফিস ও এক সমর্থকের দোকান ভাঙচুরের মামলায় ৫ জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন ঝিনাইদহ নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাহিদ আলম অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাজার রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মুন্না হোসেন, কাজল হোসেন, বিপ্লব, ফয়সাল হোসেন ও শাওন হোসেন।

নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাপ-পিরিচ প্রতীকের একজন সমর্থকের দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার একদিন পর গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনি অফিস দুটি ভাঙচুর করা হয়। পৃথক দুটি ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঝিনাইদহ নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিতে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ পাওয়ার পরে সরজমিনে তদন্ত ও শুনানি শেষে দোকান ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত বিল্পব ও ফয়সাল হোসেন নামে দুজনকে ৬ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এছাড়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড হেলাই গ্রামে নির্বাচনি অফিস ভাঙচুরের সাথে জড়িত থাকায় শাওন হোসেন ও মুন্না হোসেন নামে দুজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেন ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় শাওন হোসেন, মুন্না ও কাজল হোসেন উভয়কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১৪ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

শাহজাহান নবীন/এমএন