লাইফস্টাইল

ভোটকেন্দ্রে একটা সেলফি তো লাগবেই, তবে সাবধান

জীবনের প্রথম ভোট, আঙুলের ডগায় সেই কাঙ্ক্ষিত নীল কালি আর মনে উত্তেজনা। গণতন্ত্রের উৎসবে শরিক হতে যাচ্ছি, আর সেই মুহূর্তটা কি ফ্রেমবন্দি হবে না?

স্মার্টফোনের যুগে ‘প্রথম ভোট’ আর ‘ম্যানডেটরি সেলফি’ - তে ছেয়ে যেতে চলেছে আগামীকালকের ফেসবুক নিউজফিড। কিন্তু সাবধান! অতিরিক্ত উত্তেজনায় আবার এমন কিছু করে বসবেন না যাতে পোলিং অফিসারের ধমক খেতে হয়।

নির্বাচন কমিশনের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, আপনি ভোটকেন্দ্রে ফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন, লাইনে দাঁড়িয়ে সুন্দর একটা ‘ভোট দিতে এসেছি’ মার্কা সেলফিও তুলতে পারবেন। কিন্তু সেই গোপন কক্ষ বা ব্যালট পেপারের কাছে গেলেই আপনার ক্যামেরা লেন্স যেন বন্ধ থাকে।

কেন এই কড়াকড়ি? কারণ, আপনার ভোট কার হাতে যাচ্ছে সেটা শুধু আপনারই গোপন রাখার অধিকার। সেই অধিকার খর্ব করা আইনের চোখে দণ্ডনীয়। তাই গোপন কক্ষে ঢুকে ব্যালটে সিল মারার সময় সেলফি তুলতে যাওয়া মানে নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় কুল হতে গিয়ে যেন শেষ পর্যন্ত আইনের জালে জড়িয়ে না পড়তে চাইলে নিয়মটি মনে রাখতে হবে।

কী করবেন আর কী করবেন না -

করুন: কেন্দ্রের বাইরে বা লাইনে দাঁড়িয়ে চওড়া হাসিতে একটা সেলফি নিন। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আঙুলের কালির দাগ দেখিয়ে ‘ভিক্টরি সাইন’ দিয়ে ছবি তুলুন।

করবেন না: গোপন বুথের পর্দা সরিয়ে ফোন বের করবেন না। ব্যালট পেপারের ছবি তুলে 'কাকে ভোট দিলাম' তা জাহির করবেন না।

মনে রাখবেন, আপনার ভোট আপনার অধিকার। এটি গোপন রাখাও আপনার অধিকার। সেলফি হোক কেন্দ্রের আশেপাশে, গোপন কক্ষে নয়। আপনার প্রথম ভোট স্মরণীয় হোক নিয়ম মেনে।

সূত্র: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংশোধিত নির্দেশনা

এএমপি/এএসএম