মৌলভীবাজারে চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তবে নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন কেন্দ্র এজেন্ট দেননি লাঙ্গল-শাপলা কলির প্রার্থীরা। এছাড়া কেন্দ্র নিজেদের ভোটারদেরকে আনতে অনেক প্রার্থী রিকশা দিয়ে বাড়ি থেকে ভোটারদেরকে আনছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এছাড়া ভোটারের উপস্থিত কম দেখা গেলেও বেলা বারার সঙ্গে এর উপস্থিতি বাড়বে বলে ধারণা করছেন প্রার্থীদের সমর্থকরা। এছাড়া অনেক কেন্দ্র লাঙ্গল ও শাপলা কলির প্রার্থীরা এজেন্ট দেননি।
সরেজমিনে সকাল সাড়ে ৮টায় মৌলভীবাজার-৪ আসনের কমলগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়, প্রথম ১ ঘণ্টায় ১০০টি ভোট ও পতনঊষার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রে ২৩টি ভোট ও দরগাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৭ ভোট পরেছে। কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা না গেলেও বেলা বারার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়ছে। বিশেষ করে ওই আসনের ধানের শীষ, রিকশা ও ফুটবল প্রতীকের প্রার্থীরা ভোটারদেরকে রিকশা দিয়ে কেন্দ্র আনছেন যাতে ভোটার উপস্থিতি হয়।
আহমদ মিয়া, সাহেদ আলী নামে দুজন ভোটার জানান, অনেক দিন পর ভোট তারা দিতে এসেছেন। বাড়ি থেকে রিকশা দিয়ে তাদেরকে কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। সকালে লাইনে দাঁড়িনে লাগবে না এ জন্য সকাল সকাল ভোট কেন্দ্র এসে ভোট দিয়েছেন তারা।
এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী, রিকশা প্রতীকের প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী, শাপলা কলির প্রীতম দাশ, লাঙ্গল প্রতীকের জাহিদ আহমেদ জরিফ, ফুটবল প্রতীকের মহসিন মিয়া মধু। তবে লাঙ্গল ও শাপলা কলির প্রার্থীদের এজেন্ট দেওয়া হয়নি বিভিন্ন কেন্দ্রে।
দরগাহ পুর সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রজাইডিং কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার এই ভোটকেন্দ্র মোট ভোটার ২৩৬৫। প্রথম ১ ঘণ্টায় ৬৭টি ভোট পড়েছে।
এম ইসলাম/এনএইচআর/এএসএম