ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং একটিতে বিএনপি প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে রাতে প্রাথমিক ফলাফলে এ চিত্র উঠে আসে।
আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান ১ লাখ ১৮ হাজার ২৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯০৯ ভোট। ২৫ হাজার ৩৪৬ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
যশোর-২১৭৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৩১ ভোট। ২৩ হাজার ৫৬৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পান ডা. ফরিদ।
যশোর-৩যশোরের রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ২ লাখ ১ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আব্দুল কাদের (ভিপি কাদের) পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৬২ ভোট। অমিতের জয়ের ব্যবধান ১৪ হাজার ৭৫৫ ভোট।
এই আসনে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. গোলাম রসুল ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মতিয়ার রহমান ফারাজী পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৩০৪ ভোট। ৪৭ হাজার ৯৩৮ ভোটের বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন গোলাম রসুল।
যশোর-৫১২৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫৮৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) অ্যাডভোকেট শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন (কলস প্রতীক) পেয়েছেন ৩২ হাজার ৫১৬ ভোট। এছাড়া বিএনপি প্রার্থী রশিদ আহমাদ পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৪৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ আসনেও জয় পায় জামায়াত।
যশোর-৬দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী পেয়েছেন ৯১ হাজার ৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭৯ হাজার ১৫৯ ভোট। ১১ হাজার ৮৭৮ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন অধ্যাপক মোক্তার আলী।
এইচআরএম/জেএস